,

‘কঠিন পরীক্ষা’য় উতরে গেলেন সাকিব

20064-shajibস্পোর্টস ডেস্ক : ক্রিকেট মাঠটাই তাঁর জন্য একটি পরীক্ষার হল। প্রতিটি ম্যাচই কঠিন। প্রতিটি ম্যাচই স্নায়ুক্ষয়ী। প্রতিনিয়ত ক্রিকেট মাঠেই তিনি দিয়ে যান নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার পরীক্ষা। কিন্তু এবার তাঁকে মাঠের বাইরেই ক্রিকেট নিয়ে দিতে হলো কঠিন এক পরীক্ষা। সে পরীক্ষায় অবশ্য মোটামুটি বেশ ভালো নম্বর পেয়েই উতরে গেছেন সাকিব আল হাসান।
সাকিবের জন্য মাঠের বাইরে ক্রিকেট নিয়ে পরীক্ষার আয়োজন করেছিল ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএন-ক্রিকইনফোর মাসিক সাময়িকী ‘ক্রিকেট মান্থলি’। সেখানে সাকিবের খেলোয়াড়ি জীবনের বিভিন্ন পরিসংখ্যান দিয়ে তাঁর জন্য তৈরি করা হয়েছিল ১০ প্রশ্নের এক প্রশ্নমালা। প্রশ্নগুলোর বেশির ভাগই ছিল কঠিন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছেন প্রায় দশ বছর ধরে। এত এত রেকর্ডের ভীড়ে সব মনে রাখা তো অবশ্যই কঠিন।

মজার ব্যাপার হলো, দল প্রশ্নের ৩টি বাদে বাকি সাতটিরই সঠিক উত্তর দিয়েছেন সাকিব। পরীক্ষাটা তাঁর স্মরণশক্তির এক বড় পরীক্ষা ছিল, সন্দেহ নেই। প্রশ্নগুলো যে বেশ কঠিন ছিল!

ক্রিকেটাররা মাঠে খেললেও তাঁদের পক্ষে নিজেদের পরিসংখ্যানগুলোর নির্দিষ্ট করে মনে রাখা বেশ কঠিন। বিশেষ করে সাকিবের মতো ক্রিকেটার, যিনি এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পার করে দিয়েছেন একটি দশক। কিন্তু ক্রিকেট মান্থলির প্রশ্নগুলোর উত্তর সাকিব যেভাবে দিলেন, তাতে বোঝা গেল, সাকিব নিজের রেকর্ড-টেকর্ড ভালোই খোঁজ রাখেন।

সাকিব যে প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারেননি সেগুলো হচ্ছে—১) টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম বলটি তিনি কোন ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে করেছিলেন? ২) টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর বলে কে ‘হিট উইকেট’ হয়েছিলেন? ৩) টেস্ট ক্রিকেটে ‘৯১ রানে’ কোন দুই ব্যাটসম্যানকে তিনি ফিরিয়েছিলেন?

মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই তিনটি প্রশ্নের দুটোরই উত্তর হবে—শচীন টেন্ডুলকার ও বিরাট কোহলি। নিজের প্রথম টেস্টের প্রথম বলটি তিনি করেছিলেন টেন্ডুলকারকে। আর কোহলিকে তিনি একবার ৯১ রানের মাথায় বঞ্চিত করেছিলেন টেস্ট শতক থেকে। ২০১১ সালে তাঁর বলেই টেস্টে ‘হিট উইকেট’ হয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ড্যারেন স্যামি। কোহলির মতোই ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ড ওপেনার মার্টিন গাপটিলকে তিনি ৯১ রানে ফিরিয়েছিলেন সাজঘরে।

কুমার সাঙ্গাকারা তাঁর সেই অবিস্মরণীয় ৩১৯ রানের ইনিংসে সাকিবকে কয়টা ছক্কা মেরেছিলেন, সেটা সাকিবের মনে আছে। মনে আছে, জিম্বাবুয়ের পর কোন দলের বিপক্ষে তাঁর সবচেয়ে বেশি টেস্ট উইকেট, সে দলের নামও (নিউজিল্যান্ড)। অধিনায়ক হিসেবেই তিনি তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন (৬২টি), এই তথ্যও তাঁর নখদর্পণে। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি রান করার বছরটাও (২০১০) তিনি বেশ ভালোভাবেই মনে রেখেছেন।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথম ৫ উইকেট (৭/৩৬) তিনি ভুলে যাবেন কীভাবে! ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার হওয়ার ব্যাপারটিও যে তাঁর স্মৃতিতে উজ্জ্বল সেটা ক্রিকেট মান্থলিকে খুব ভালোভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন। টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর পাঁচটি ম্যান অব দ্য ম্যাচের তিনটিই যে দলের পরাজয়ে পাওয়া, সেটাও মনে রেখেছেন সাকিব।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা