,

মুরগি ও ডিমের ব্যবসায় নেমেছে আইএস

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দিনের পর দিন ভূখণ্ড হারিয়ে প্রায় নিঃস্ব হতে চলেছে বিশ্বব্যাপী আলোচিত জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)। আয় কমে যাওয়ায় সংগঠনটি মাছের ব্যবসা এবং গাড়ির ডিলারশিপ শুরু করেছে বলে এর আগে খবর বেরিয়েছিল। অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে এবার মুরগি এবং মুরগির ডিম বিক্রি শুরু করেছে।23492

 

লিবিয়ার রাস্তায় একেবারে স্বল্পমূল্যে মুরগি এবং ডিম ফেরি করছে আইএস যোদ্ধারা। স্থানীয় এক বাসিন্দার বরাত দিয়ে সেখানকার অনলাইন গণমাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানায়, আইএস যখন লিবিয়ার সির্ত দখল করে তখন তারা কয়েকটি কৃষি খামার এবং মুরগির খামারও দখল করেছিল।

 

সির্ত আইএসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সেখানে পোল্ট্রি ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের করও ধার্য্য করেছে তারা। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমার আত্মীয়রা আমাকে বলেছে, আইএস তাদের কালো পোশাক পরে মুখ ঢেকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে মুরগি এবং মুরগির ডিম বিক্রি করে। তারা খুব কম দামেই এগুলো বিক্রি করে।’

 

এতে বোঝা যায়, আইএস বর্তমানে অত্যন্ত অর্থ সংকটে আছে। তারা দখলকৃত ভবনগুলোর ভাড়াও বাড়িয়েছে। স্থানীয় দোকানিদের সপ্তাহে ৭.৩৫ ডলার প্রদান করতে হয়। গাদ্দাফি সরকারের সময়ে সরকারি কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ভবন ২০১১ সাল থেকে ব্যবহার করে আসছে সাধারণ জনগণ। সেখানে গিয়েও এখন ভাড়া চাইতে শুরু করেছে আইএস সদস্যরা।

 

 

সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, নিজেদের ‘খেলাফত’ রাজ্যের ২২ ভূমি শতাংশ হারিয়েছে আইএস। চলতি বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএইচএস’র গবেষণায় উঠে আসে, আইএসের ২২ শতাংশ ভূখণ্ড হারানোর কথা। ওই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, তুরস্ক এবং সিরিয়া সীমান্তে একটি উল্লেখযোগ্য ভূখণ্ড হারানোর পর আইএসের আয় কমে গেছে ৪০ শতাংশ, যার বেশিরভাগই আসতো তেল বিক্রি থেকে।

 

এর আগে এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানায়, ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আইএস এখন নতুন নতুন ব্যবসার সন্ধান করছে। আয়ের উৎস সৃষ্টিতে চাষাবাদসহ আরো অন্যান্য কাজের উদ্যোগ নিচ্ছে তারা। আয়ের উৎস হিসেবে মূলত ২০০৭ সালের শুরুর দিকেই মাছের ব্যবসা শুরু করে আল কায়েদার উত্তরসূরি আইএস। তবে চলতি বছরের শুরুর দিকে মার্কিন কর্তৃপক্ষ তাদের আয়ের উৎস খুঁজে বের করতে সক্ষম হয়েছে।উন। অধিবেশনের প্রস্তুতিতে বা তা চলাকালীন যাতে কোনও রকম ব্যাঘাত না ঘটে সে জন্য সব রকমের প্রচেষ্টাই শুরু করেছেন তিনি। আর তাই এ সময় বিয়ে করা যাবে না। অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়া বন্ধ রাখতে হবে। এমনকি, দেশের বাইরে যাওয়া বা বিদেশ থেকে দেশে ফেরাও যাবে না। এই কংগ্রেসেই উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু ক্ষমতাসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করার মনোবাসনা রয়েছে কিমের। এমনকি, দেশের অগ্রগতি নিয়ে তার ভবিষ্যৎ ভাবনাও জানাবেন কিম।

 

সুপ্রিম লিডারের ইচ্ছায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তার ঘেরাটোপ। শুধু তাই নয়, যখনতখন ঘরে ঢুকে খানাতল্লাশি করা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই কংগ্রেসের অধিবেশন চলবে পাঁচদিন ধরে। ভাবছেন, এর পরই নিষেধাজ্ঞার কড়াকড়ি কমবে। সে কথা ভুলে যান। অধিবেশনের পরের ৭০ দিন ধরে চলবে দেশবাসীর আনুগত্যের ‘পরীক্ষা’। শাসক দল তথা কিম জং উনের প্রতি আনুগত্য দেখাতে এই সময় উৎপাদন বাড়াতে অতিরিক্ত সময় ধরে কাজ করবেন তারা।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা