,

তনু হত্যার বিচার দাবিতে উত্তাল ছিল স্মৃতিসৌধও

33নিউজ ডেস্ক : কুমিল্লা সেনানিবাসে সোহাগী জাহান তনুকে ধর্ষণের পর হত্যার প্রতিবাদে উত্তল সমগ্র বাংলাদেশ। আজ স্বাধীনতা দিবসেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। তনু হত্যার বিচারের দাবিতে জাতীয় স্মৃতিসৌধেও হাজার হাজার মানুষ মানববন্ধন করে।

স্মৃতিসৌধের মূল বেদীর কিছু আগেই এই মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সমবেত হাজার হাজার মানুষকে তনু হত্যার বিচার দাবিতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, পোস্টার ও ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

এসব প্ল্যাকার্ড, পোস্টার এবং ব্যানারে সোহাগী জাহান তনুর ছবির পাশে বিচার চেয়ে বেশকিছু দাবির বিষয়ও তুলে ধরা হয়। যার কয়েকটি পোস্টারে লেখা ছিল- ‘তনু, বোন আমার…, তার ধর্ষক ও হত্যাকারীদের ফাঁসিতে না ঝুলিয়ে আমরা বাড়ি ফিরবো না, ফিরছি না।’

এসময় কথা হয় মানববন্ধনে অংশ নেয়া সাভারের রাসেল হোসেন, নবীনগরের মিতালী সরকার এবং একই জায়গার ইব্রাহীম হোসেনসহ আরো কয়েকজনের সঙ্গে। তারা বাংলামেইলকে জানায়, কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট খুবই নিরাপদ একটি জায়গা। সেখানে যে কেউ চাইলেই অপরাধ করার সাহস রাখে না। কিন্তু এমন একটি জায়গায় কীভাবে এমন নির্মম ঘটনা ঘটলো, তা উদঘাটন এবং ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে আজ আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।

তারা বলেন, আমরা আমাদের বোনদের নিরাপত্তা চাই। দেশ স্বাধীন হয়েছে ঠিকই। কিন্তু তনুরা এখনো স্বাধীন হয়নি। তাই সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিচার দেখেই আমরা ঘরে ফিরবো।

উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকার পাওয়ার হাউস পানির ট্যাংকির কাছে তনুর লাশ পাওয়া যায়। ময়না তদন্ত শেষে জানা যায়, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। পরে এ ব্যাপারে তনুর বাবা কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।

হত্যার পাঁচদিন অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন হয়ে আসছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা