,

৫ জনের মৃত্যুদণ্ড স্কুলছাত্র হত্যার দায়ে

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্র শিশু রিয়াজুল ইসলাম মিরাজ (১৩) অপহরণ ও হত্যা মামলার রায়ে ৫ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদ- কার্যকরের আদেশ দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় আরো ৪ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদ- দেওয়া হয়।
খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমএ রব হাওলাদার রোববার বিকেলে এ রায় ঘোষণা করেন।

ফাঁসির দ-প্রাপ্তরা হচ্ছে-জাহিদ হাসান মিলন, মহসিন রেজা শাহীন, মামুন চৌধুরী মুকুল, সোহাগ হোসেন ও রুবেল। যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্তরা হচ্ছে-ইকবাল হোসেন, জোনাকি বেগম ওরফে রাশিদা, আবুল কাশেম কাশু ও হযরত আলী।আদালত ফাঁসির দ-প্রাপ্ত ৫ জনের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন। অপরদিকে যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্তদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে প্রত্যেককে আরো ১ বছরের কারাদ- দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার সময় ফাঁসির দ-প্রাপ্ত আসামি জাহিদ হাসান মিলন, সোহাগ হোসেন ও রুবেল এবং যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্ত ইকবাল হোসেন ও জোনাকি বেগম ওরফে রাশিদা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিল। বাকিরা পলাতক রয়েছে। দ-প্রাপ্তরা ঝিকরগাছা উপজেলার লাউজনি, জয়কৃঞ্চপুর ও লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার লাউজনি গ্রামের বাসিন্দা মিজানুর রহমানের শিশুপুত্র রিয়াজুল ইসলাম মিরাজকে ২০১৩ সালের ২০ নভেম্বর অপহরণ করে দুর্বৃত্তরা তার বাবার কাছে ২৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। দেনদরবারের পর অপহরণকারীরা ৩ লাখ টাকা চুক্তিতে তাকে ফিরিয়ে দিতে রাজি হয়। এ সময়ের মধ্যে তাদের কিছু টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু অপহরণের দুদিন পর ২২ নভেম্বর মিরাজের লাশ একই উপজেলার নারাংগালি গ্রামের একটি জঙ্গলের মধ্যে থেকে উদ্ধার করা হয়।

child1457870442

এ ঘটনায় শিশু মিরাজের বাবা মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ২৪ নভেম্বর অজ্ঞাত পরিচয় দুর্বৃত্তদের আসামি করে ঝিকরগাছা থানায় মামলা দায়ের করেন। থানার এসআই ইউসুফ মামলাটির তদন্ত শুরু করলেও একদিন পরই মামলাটি যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীতে ডিবির এসআই হাফিজ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী জাহিদ হাসান মিলনকে এবং র‌্যাব-৬ খুলনার একটি দল মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে মতিউর রহমান নামে আরো এক আসামিকে গ্রেফতার করে। হত্যাকা-ের শিকার শিশু মিরাজ ঝিকরগাছা বিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

 

এদিকে ২০১৪ সালের ৩১ মে সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির এসআই খবির হোসেন ১২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় গত বছরের ৫ এপ্রিল মামলাটি বিচারের জন্য খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করা হয়। আদালত ১৩৫ কার্যদিবসে ৪১ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রায় ঘোষণা করেন।আদালতের পিপি এনামুল হক জানান, মামলার ৯ আসামিকে আদালত দ- দিয়েছেন। বাকি ৩ জন কিশোর অপরাধী হওয়ায় যশোরের কিশোর আদালতে তাদের বিচার চলছে। এরা হচ্ছে মতিউর রহমান, কামাল হোসেন ও আরিফুল ইসলাম।

এদিকে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী ও নিহত শিশুর বাবা মিজানুর রহমান এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এনামুল হক। ন্যায় বিচার পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তারা।তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী অচিন্ত কুমার দাস ও খোন্দকার মহসিন আলী বলেন, তারা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা