,

ফুলেল শ্রদ্ধায় সমাহিত হলেন মিঠু

download (39)পরিবার আর বন্ধু স্বজনের চোখের জলে মিশ্রিত ফুলেল শ্রদ্ধায় চিরবিদায় নিলেন চিত্রকর ও চিত্রনির্মাতা খালিদ মাহমুদ মিঠু। আজ বুধবার, বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তিনি।
এর আগে ইংল্যান্ড থেকে মিঠুর ছেলে আর্য শ্রেষ্ঠ ফিরে এলে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সদ্য প্রয়াত নির্মাতা ও চিত্রশিল্পী খালিদ মাহমুদ মিঠুর মরদেহ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে আয়োজিত শ্রদ্ধাজ্ঞাপন পর্বে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শিল্পী-সাহিত্যিক, নাট্যব্যক্তিত্ব, শিক্ষক ও বন্ধু-সতীর্থসহ বিভিন্ন সংগঠন নির্মাতা মিঠুকে শেষ শ্রদ্ধা ও ফুলেল বিদায় জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব নাসিরুদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, রামেন্দু মজুমদার, ড. ইনামুল হক, খুশি কবীর, ফরিদুর রেজা সাগর, চিত্রশিল্পী হাশেম খান, মিঠুর স্ত্রী কনকচাঁপা চাকমা, ছেলে আর্ শ্রেষ্ঠ, মেয়ে শিরোপা পূর্ণা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

প্রয়াত নির্মাতা খালিদ মাহমুদ মিঠুর মেয়ে শিরোপা পুন্যা বলেন, ‘আমার বাবার মৃত্যুটা অপ্রত্যাশিত। তিনি সমাজের জন্য আরও অনেক কিছু করতে পারতেন। এখন আমাদের কাজ তার চিত্রকর্ম ও চলচ্চিত্রগুলোকে সংরক্ষণ করা। আপনারা আমার বাবার আত্মার শান্তির জন্য দোয়া করবেন।’
মিঠুর ছেলে আর্য শ্রেষ্ঠ বলেন, ‘বাবা আমার বন্ধু ছিলেন। আমার উপর কখনই জোর করে কিছু চাপিয়ে দেননি। আমাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন। আমি ভালো মতো প্রস্তুতি নিয়ে বাবার অসমাপ্ত কাজগুলো এগিয়ে নিতে চাই। আপনারা যারা আমার বাবা ও মায়ের বন্ধু ছিলেন তারা আমার একাকী মায়ের পাশে থাকবেন। আমাদের পাশে থাকবেন।’

শহীদ মিনার থেকে খালিদ মাহমুদ মিঠুর মরদেহ নেওয়া হয় তার শিক্ষা প্রাঙ্গণ চারুকলা ইনস্টিটিউটে। সেখানে তার মরদেহে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন ইনস্টিটিউটের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ শিক্ষকরা। চরুকলা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজে যানাযা শেষে মিঠুর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় এফডিসিতে।
সেখানে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও জানাজা শেষে মরদেহ আনা হবে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে। এখানেই শেষ জানাজা হওয়ার পর বাদ আসর বনানী কবরস্থানে খালিদ মাহমুদের দাফন সম্পন্ন হবে।
গত ৭ মার্চ দুপুরে রিকশা করে বাসায় ফেরার পথে ধানমণ্ডি ৪ নম্বর রোডের পাশের একটি গাছ আকস্মিক ভেঙে পড়ে মারা যান খালেদ মাহমুদ মিঠু।প্রসঙ্গত, গেল সোমবার দুপুরে কৃষ্ণচূড়া গাছের চাপায় মৃত্যুবরণ করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত চলচ্চিত্রকার খালিদ মাহমুদ মিঠু।
১৯৬০ সালের ১ জানুয়ারি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। বড় হয়েছেন মামা প্রখ্যাত চিত্রনির্মাতা প্রয়াত আলমগীর কবিরের কাছে। তার মা বেগম মমতাজ হোসেন বিখ্যাত নাট্যকার। চিত্রকলায় ডিগ্রী নিয়েও মিঠু নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন চলচ্চিত্রকার হিসেবে।

২০১০ সালে প্রথম চলচ্চিত্র ‌‌‘গহীনে শব্দ’ দিয়ে শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতে নেন তিনি। এছাড়াও ছবিটি আরো তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পায়। এর চার বছর পর তিনি তৈরি করেন ‌‌‘জোনাকীর আলো’ চলচ্চিত্র। এই ছবিতে অভিনয় করে বিদ্যা সিনহা মিম সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতে নিয়েছেন।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা