,

মালয়েশিয়ার শ্রমিক নেওয়া স্থগিতে বিভ্রান্তির কিছু নেই

Workers1455874794নিজস্ব প্রতিবেদক : বিদেশি শ্রমিক নেওয়া স্থগিত থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদি। মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বারনামা এক প্রতিবেদনে বলেছে, শুক্রবার সেনাবাহিনীর একটি ক্যাম্পে এক বৈঠকের পর তিনি এ কথা বলেন। কিন্তু তার এ কথায় বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জাবেদ আহমেদ।

তিনি বলেছেন, ‘তিনি (উপ-প্রধানমন্ত্রী) মালয়েশিয়ার একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রী। তবুও শুধুমাত্র তার বক্তব্য সরকারের সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে না। কারণ এখন পর্যন্ত অফিসিয়ালী আমাদের কিছু জানানো হয়নি।’

তিনি আরো বলেন, ‘সরকারের সিদ্ধান্ত একদিনে গৃহীত হয় না। দীর্ঘমেয়াদে আলোচনার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হলে গতকালই (বৃহস্পতিবার) আমাদের সঙ্গে এই চুক্তি করা হতো না।’

দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আপাতত বিভ্রান্ত হতে হবে না উল্লেখ করে জাবেদ আহমেদ বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, মালয়েশিয়া সরকার তাদের এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে আমাদের অফিসিয়ালী এখনো কিছু জানায় নি।’

বাংলাদেশ থেকে ১৫ লাখ শ্রমিক নিতে সমঝোতা স্মারকে সই করার পরদিনই দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী এই বক্তব্য দেয়ায় অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি বিরাজ করতে দেখা গেছে।

এদিকে একই বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘বিদেশী শ্রমিক বলতে শুধুমাত্র বাংলাদেশী শ্রমিককে বুঝায় না। অন্যান্য অনেক দেশের শ্রমিক মালয়েশিয়ায় থাকে। তাছাড়া দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে বলেছেন, কতো শ্রমিক আমাদের প্রয়োজন সে বিষয়ে সরকার সন্তোষজনক তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত বিদেশি কর্মী নেওয়া স্থগিত থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘তার এই বক্তব্য থেকেই বুঝা যায়, এটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।’

তিনি আরো বলেন, যেহেতু মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে এখনো অফিসিয়ালী কিছু জানানো হয়নি, সেহেতু এই বক্তব্যে আতঙ্কিত হওয়ার কিছেু নেই।’

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি ও মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী রিচার্ড রিয়ট পাঁচ বছরের জন্য বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ থেকে ১৫ লাখ শ্রমিক নেয়ার কথা।

দীর্ঘদিন মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ থাকার পর ২০১২ সালে শেষের দিকে গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট (জিটুজি) চুক্তি করে বাংলাদেশ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ৩ বছরে এ প্রক্রিয়ায় মাত্র ১০ হাজারের মতো কর্মী যায় মালয়েশিয়ায়। মালয়েশিয়ায় যেতে ১৪ লাখের বেশি কর্মী নিবন্ধন করেন। কিন্তু এতে গতি না থাকায় সমুদ্রপথেই মানুষ মালয়েশিয়ায় যেতে থাকে। যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় সমালোচিত হয়। বৃহস্পতিবার চুক্তির মাধ্যমে এই জট খুলছে বলে ধারণা করা হয়েছিল। রাইজিংবিডি

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা