,

স্বাগতম ২০১৬

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : বৃহস্পতিবারের সূর্য ডুবে গিয়ে ঘটনার ঘাত-প্রতিঘাতে সূচিত হলো নতুন সময়। নতুন প্রভাতের আশ্বাসে সময়ের এগিয়ে যাওয়া শুধু একটি নতুন দিনের সূচনাই করবে না। অপূর্ণ বাসনা পূরণের স্বপ্ন নিয়ে দাঁড়াল আরও একটি নতুন বছর। স্বাগতম খ্রিস্টীয় নতুন বছর ‘২০১৬’।

অজস্র পাওয়ার স্বপ্ন তাড়িত না পাওয়ার ব্যবধানেই মহিমান্বিত মানুষের জীবন। অপূর্ণ মানুষ সময়ের মুগ্ধতায়ই বেঁচে থাকে। পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের মতো ‘২০১৬’ সাল আমাদের দেশের মানুষকেও পেছনের অপ্রাপ্তি ঘুঁচিয়ে পূর্ণতার স্বপ্নে উদ্বেল করবে, এগিয়ে যেতে প্রেরণা যোগাবে। রাজনৈতিক অস্থিরতার নব সূচনা নয়, স্থিতিশীলতায় সুখী-সুন্দর আগামী নতুন বছরে এ আশাবাদ দেশের প্রতিটি মানুষের।
বৃহস্পতিবার মাধ্যরাত থেকেই শুরু হয় নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে নানান অনুষ্ঠান। তবে বিগত কিছু দিনের পরিস্থিতি বিবেচনায় রাতে উন্মুক্ত স্থানে আনন্দ উদযাপনে বিধি-নিষেধ আরোপ করে সরকার।
বাংলাদেশে ইংরেজি বর্ষবরণের উচ্ছ্বাস উচ্চবিত্তের আঙ্গিনা ছাপিয়ে এখন মধ্যবিত্ত, নিম্ন-মধ্যবিত্তের দুয়ারেও আছড়ে পড়ছে। একদিন আগে শুরু হওয়া ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ এ শুভেচ্ছা বিনিময় চলবে শুক্রবার দিনভর।
উৎসবের মাপকাঠিতে বাংলা নববর্ষ ইংরেজি নববর্ষের ধারে কাছে না থাকলেও আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বাংলা সন অবহেলিতই। রাষ্ট্রীয় কিংবা ব্যক্তি বা পারিবারিক জীবনে দাপটের সঙ্গেই জায়গা করে নিয়েছে ইংরেজি সন।
ইংরেজি নববর্ষে দেশবাসীকে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলাদা বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি বাণীতে বলেন, ‘বাংলা নববর্ষ আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকলেও ব্যবহারিক জীবনে ইংরেজি বর্ষপঞ্জিকা বহুল ব্যবহৃত হওয়ায় খ্রিষ্টীয় নববর্ষ সকলকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে।’
‘বিগত বছরের সকল অকল্যাণ ও ব্যর্থতার গ্লানি মুছে নতুন বছর সবার জন্য বয়ে আনুক সমৃদ্ধি ও বিজয়ের বাণী- এ কামনা করি। অতীত অর্জন ও সাফল্যকে ভিত্তি করে উন্নতি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাব- এ হোক নতুন বছরে সকলের অঙ্গীকার। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ আমাদের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে প্রত্যাশা পূরণে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস’ বলেন রাষ্ট্রপতি।
২০১৫ সাল বাঙালী জাতির ইতিহাসে একটি গৌরবোজ্জ্বল বছর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বাণীতে বলেন, ‘আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বৈশ্বিক শান্তিসূচক, ক্ষুধাসূচক, খাদ্যসূচক, লিঙ্গ-বৈষম্যসূচক, শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার, বৈশ্বিক সমৃদ্ধিসূচক, বিশ্বগণমাধ্যম সূচকসহ সকলক্ষেত্রে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ভারতের চাইতে আমাদের অবস্থান ভালো।’
নতুন বছরে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করি।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নতুনের আহ্বানে পুরাতন বছরের সব জঞ্জাল ধুয়ে-মুছে যাক। নতুনবছর আমাদের সবার জীবনে অনাবিল সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি বয়ে আনুক। মহান আল্লাহতায়ালার কাছে এই প্রার্থনা করি।’

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা