,

সরাইলে দু:স্থদের দোম্বার গোশত প্রশাসন ও প্রভাবশালীদের পেটে

news-image

স্টাফ রিপোর্টার সরাইল : সরাইলে গরীব দুঃস্থদের জন্য সৌদি সরকারের দেয়া দোম্বার গোশত চলে গেছে প্রভাবশালীদের পেটে। এ নিয়ে উপজেলা থেকে শুরু করে গ্রাম গঞ্জের অসহায় দরিদ্র লোকজনের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে তালিকায় অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে কথিত সাংবাদিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দলের নেতা সেজে গরীবের গোশত গিলে খেয়েছেন। ওই গোশতের আশায় এখনো ঘুরছে দুঃস্থরা। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, জেলার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা থেকে রাজকীয় সৌদি সরকার কর্তৃক অনুদান হিসেবে প্রদত্ত কোরবাণির পশুর (দোম্বার) গোশতের ৭৮টি কার্টুন সরাইলে বিতরন করা হয়েছে। তবে মূল পত্রে ৮৯টি কার্টুনের উল্লেখ রয়েছে। প্রতিটি কার্টুনে গোশত রয়েছে ১০ কেজি। সেই হিসাবে মোট ৭৮০ কেজি গোশত বিতরন হয়। বিতরনকৃত তালিকায় ৯ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সহ মোট ৫৭টি সংগঠনের নাম রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অস্তিত্বহীন ভূয়া প্রতিষ্ঠান ও সংঘঠনের নামের ছড়াছড়ি। এ তালিকায় কথিত ভূঁইফুর সাংবাদিক সংঘঠন সরাইল থানা ও হাসপাতালের নামও। এ সব নাম ব্যবহার করে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী ও প্রভাবশালীরা গরীবের গোশত ভাগবাটোয়ারা করার অভিযোগ এখন মানুষের মুখে মুখে। ইউনিয়ন পরিষদের ২৮টি কার্টুন ও (২৮০ কেজি) ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছেন শুধু জনপ্রতিনিধিরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনৈক ইউপি সদস্য আক্ষেপ করে বলেন, ভাগে পেয়েছি মাত্র ৩ কেজি গোশত। কাকে দিব? নিজেই খেয়ে ফেল্লাম। বুধবার সকালেও গোশতের আশায় অনেক অসহায় দরিদ্র লোকদের উপজেলা চত্বরে ঘুরতে দেখা গেছে। রিকশা চালক হুমায়ুন, ভিক্ষুক বানেছা বেগম ও শ্রমিক আবেদ আলী সহ একাধিক দুঃস্থ পুরুষ মহিলা বলেন, শুনেছি সৌদি আরব থেকে আমাদের জন্য দোম্বার গোশত আসছে। এসে দেখি উপজেলা ও থানার লোকজন, রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী ও কিছু হুজুর টেনে খিঁছড়ে গোশতের কার্টুন নিয়ে যাচ্ছে। আমরা শুধু দেখলাম। কিন্তু ভাগ্যে এক টুকরো গোশতও জুটল না। কার গোশত কে খায়? প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দফতরের একাধিক কর্মচারী জানান, গোশতটা মূলত গরীব ও দুঃস্থ জনসাধারন, বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠান, এতিমখানা ও সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানের মাঝে বিনামূল্যে বিতরনের নির্দেশ রয়েছে। তবে এবার বিতরনটা শান্তিপূর্ণ ভাবে হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা নাহিদা হাবিবা বলেন, আসলে এ গোশতটা দুঃস্থ ও এতিমদের জন্য। তবে আমি পূর্বের তালিকা অনুসরন করে পিআইও’কে বিতরন করতে বলেছি। আর সরকারি চাকুরীজীবি হিসাবে আমাদের দফতরের লোকজনকে গোশত নিতে নিষেধ করেছি। 
 

 

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা