,

অবশেষে আইনগত বাধ্যবাধকতা চুক্তি

news-image

প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনে অবশেষে একটি আইনগত বাধ্যবাধকতা চুক্তি হয়েছে। এ চুক্তি অনুসারে দেশগুলো গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে রাখবে। এবারের সম্মেলনের সভাপতি ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট ফ্যাবিউস বলেছেন, ‘এবারের চুক্তিটি স্বচ্ছ, আইনি বাধ্যবাধকতামূলক। প্রায় ২০ পৃষ্ঠার এ চুক্তি বাস্তবায়িত হলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে থাকবে।’ তিনি এও বলেছেন যে, এবারের চুক্তিটি উচ্চ আকাঙ্ক্ষার হলেও ভারসাম্যমূলক। প্রায় দুই সপ্তাহ আলোচনার পর গতকাল বাংলাদেশ সময় বিকেলে চুক্তির বিভিন্ন বিষয় দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সামনে তুলে ধরা হয়। এ অনুষ্ঠানে লরেন্স ফ্যাবিউসসহ জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ বক্তব্য রাখেন।
 
ফ্যাবিউস বলেন, চুক্তি অনুসারে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে রাখতে হবে। তবে সব দেশের চেষ্টা থাকবে যাতে এটি দেড় শতাংশের নীচে রাখা যায়। চুক্তিটি প্রতি পাঁচ বছর পর পর পর্যালোচনা করা হবে।
 
চুক্তিটি ঐতিহাসিক হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, দূষণ কমানোর ক্ষেত্রে এ চুক্তি বড় ভূমিকা রাখবে। লস অ্যান্ড ড্যামেজ এবং অভিযোজন (অ্যাডাপটেশন) খাতে বেশি অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে চুক্তিতে একমত পোষণ করা হয়েছে। তার মতে, চুক্তিটি সবার জন্য ইতিবাচক। প্রত্যেক দেশের প্রতিনিধি মাথা উঁচু করে নিজ দেশে ফিরতে পারবেন।
 
তিনি বলেন, এ চুক্তির ফলে যেমন ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্রগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারবে, তেমনি খাদ্য নিরাপত্তা, মানবাধিকার এবং বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে এ চুক্তি ভূমিকা রাখবে। প্যারিস সম্মেলন ব্যর্থ হলে দেশগুলোর পারস্পরিক আস্থা নষ্ট হয়ে যেত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
 
অনুষ্ঠানে বান কি মুন বলেন, আমরা একটি ঐতিহাসিক চুক্তির সাক্ষী হতে চলেছি। পৃথিবী এখন নিঃশ্বাস নিচ্ছে। একটি নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছি আমরা। পুরো পৃথিবী আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। জলবায়ু সম্মেলনকে সামনে রেখে পরিকল্পনা জমা দেয়ায় তিনি দেশগুলোকে ধন্যবাদ জানান। বান কি মুন উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমি আশা করি তারা অ্যাডাপটেশন এবং মিটিগেশনে অর্থ বরাদ্দ বাড়াবে।
 
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ বলেন, প্যারিস চুক্তি হবে বৈশ্বিক সর্বজনীন চুক্তি। দীর্ঘ পরিশ্রমের পর একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য তিনি লরেন্ট ফ্যাবিউস, জাতিসংঘ জলবায়ু প্রধান ক্রিস্টিয়ানা ফিগিউরিসকে ধন্যবাদ জানান।

এ জাতীয় আরও খবর

আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফ‌রে যা‌চ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার জরুরি: রাষ্ট্রপতি

প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর ২১ সেপ্টেম্বর

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসায় ৭ এমপির মধ্যাহ্নভোজ

বিদেশে সম্পদ মিললে ১০ শতাংশ চাইলেন আসিফ

পাথরবোঝাই বগি লাইনচ্যুত, ট্রেন চলাচল বন্ধ

রামপালে এক ইউনিট বন্ধ, কমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন

গার্মেন্টসে শতভাগ দেশি জনবল সম্ভব: মাহ্দী আমিন

মালয়েশিয়ায় ৩৬৪ বাংলাদেশিসহ ৪৭২ জন আটক

গুলশানের মিছিলে গ্রেপ্তার ৯ জন কারাগারে

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৬১