,

যে নামাজ শেষে রাসূল (সা.) ঘুরে বসতেন?

news-image

প্রশ্ন : রাসূল (সা.) কি সব ফরজ সালাতের পর মুসল্লিদের দিকে ঘুরে বসতেন? নাকি শুধু ফজর ও আসর সালাতের পর?

উত্তর :  রাসূলুল্লাহ (সা.) সব সালাতের পরই মুসল্লিদের দিকে ঘুরে বসতেন। এ মর্মে রাসূল (সা.)-এর সহিহ বর্ণনা পাওয়া যায়, ‘ইজান ছরাফান হারফ’। যখন রাসূল (সা.) সালাতের সালাম ফিরাতেন, তারপর রাসূল (সা.) ফিরে বসতেন। অন্য হাদিসের মধ্যে এসেছে, রাসূল (সা.) যখন সালাম ফিরাতেন, তখন তিনি আমাদের দিকে মুখ করে বসতেন। এটি শুধুমাত্র ফজর অথবা আসর সালাতের পর নয়।

শুধুমাত্র ফজর এবং আসরের সালাতের পর ইমামের ঘুরে বসাটা আমাদের নিজস্ব ইজতেহাদ। রাসূল (সা.) প্রত্যেকটি সালাতেই মূলত সালাম ফিরানোর পরে মুসল্লিদের দিক মুখ করে বসতেন। তারপরে আসকার যেগুলো আছে সেগুলো রাসূল (সা.) পড়েছেন। সাহাবিদের রেওয়াতের মাধ্যমে তা সাব্যস্ত হয়েছে।

আমরা অনেকে এ সুন্নাহ সম্পর্কে জানি না। ফলে দেখা যায় যে, ইমাম সাহেব যেভাবে সালাম ফিরিয়েছেন, সেভাবে বসে থাকলেন। এ ক্ষেত্রে রাসূল (সা.)-এর সুন্নাহ লঙ্ঘন করলেন। আবার দেখা যায় যে, তিনি মোনাজাত করতেছেন। আসলে তিনি রাসূল (সা.) এর সুন্নাহ সম্পর্কে অজ্ঞ।

রাসূল (সা.) এখানে কিছু আসকার দিয়েছেন। এখানে রাসূল (সা.) এমন কোনো দোয়া করেননি বা দেননি যে ইমাম সাহেব সেখানে হাত তুলে দোয়া করতে হবে। এটা রাসূল (সা.) এর সুন্নাহ দ্বারা সাব্যস্ত হয়নি। আবার দেখা গেল যে তিনি কিবলামুখী হয়ে দোয়া করতেছেন। এটা রাসূল (সা.) এর সুন্নাহ দ্বারা সাব্যস্ত হয়নি। এর কারণ হচ্ছে মূলত আমরা সুন্নাহর অনুশীলন করি না, সুন্নাহ সম্পর্কে জানি না। বরঞ্চ আমরা নিজেরা নেজেদের ইচ্ছামত দ্বীন তৈরি করে নিয়ে চেষ্টা করি আমাদের দ্বীন পালন করার জন্য। আমাদের বানানো দ্বীনের মধ্যে কোনো ফায়দা নেই। এর মধ্যে সওয়াব নেই। বরং বেদা’ত হওয়ার কারণে এটি আল্লাহতায়ালার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। এ এবাদত আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।

রাসূল (সা.) এর একাধিক সহিহ হাদিস দ্বারা এটি সাব্যস্ত হয়েছে। এমনকি আয়েশা (রা.)-থেকে বর্ণিত একটি হাদিসের মধ্যে এসেছে, ‘রাসূলুল্লাহ (সা.) এতটুকু দেরি করতেন না যে, আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম … ওয়াল ইকরম, পড়া পর্যন্ত এতটুকু দেরি করতেন, এর বেশি দেরি করতেন না। এর পর তিনি মুসল্লিদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বসতেন।’

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা