,

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে ডেকে পাকিস্তানের প্রতিবাদ

news-image

ইসলামাবাদে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করেছে পাকিস্তান। মানবতাবিরোধী অপরাধে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পর পাকিস্তান যে মতামত দিয়েছিল তার কড়া প্রতিবাদ করে বাংলাদেশ। মূলত এই প্রতিবাদের জবাবেই সোমবার বাংলাদেশের এই কূটনীতিককে তলব করে পাকিস্তান।
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর পাকিস্তান একে ‘বিরক্তিকর ও দুর্ভাগ্যজনক’ হিসেবে অভিহিত করেছিল। এছাড়া পাকিস্তান যুদ্ধাপরাধের বিচারকে ১৯৭৪ সালের ত্রিপক্ষীয় চুক্তির চেতনা পরিপন্থী বলে অভিহিত করে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ নভেম্বর ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার সুজা আলমকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে পাকিস্তানের বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়।
এর জবাবে এবার বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া ও সার্ক) বলেছেন, ‘বাংলাদেশ সরকার গত ২৩ নভেম্বর যে বক্তব্য পাকিস্তানকে অবহিত করেছে তা ভিত্তিহীন ও অমূলক বিধায় পাকিস্তান তা প্রত্যাখ্যান করছে।’
তিনি বলেন, ‘অপরাধ কিংবা যুদ্ধের নৃশংসতার যে পরোক্ষ ইঙ্গিত করা হয়েছে, পাকিস্তান তাকেও প্রত্যাখ্যান করেছে। সত্যের বাইরে কোনো কিছুই হতে পারে না।’
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করার পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে দেয়া এক বিবৃতিতে আরও বলেছে, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভ্রাতৃপ্রতীম সম্পর্কের উন্নয়নে পাকিস্তানের আন্তরিক ইচ্ছা সত্ত্বেও বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তানের জন্যে হানিকর যে পদক্ষেপ নিয়েছে তা দুঃখজনক।’
‘পাকিস্তান বিশ্বাস করে, দুই দেশের জনগণ সুসম্পর্ক বজায় রাখা শুধু নয়, বরং বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও জোরদার করতে চায়। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার এই সেন্টিমেন্টকে শ্রদ্ধা জানায় না বলেই মনে হচ্ছে’ বিবৃতিতে যোগ করা হয়।
পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘দুদেশের সম্পর্কের ভিত্তি হলো ১৯৭৪ সালের ত্রিপক্ষীয় চুক্তি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার যুক্তি দেখাচ্ছে যে, পাকিস্তান সরকার ১৯৭৪ সালের চুক্তির বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা দিয়েছে। এই বিষয়ে জোর দিতে হবে যে, এই চুক্তির আওতাতেই বাংলাদেশ সরকার বিচারের দিকে অগ্রসর না হয়ে ক্ষমা প্রদর্শন করেছিল।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও জোরদার করার কথা পুর্নব্যক্ত করছে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, পাকিস্তানের জনগণের হৃদয় বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে ঐকতানে স্পন্দিত হয়। এটা উভয় দেশের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ যে, দক্ষিণ এশিয় উপমহাদেশে মুসলমানদের জন্যে একটি পৃথক আবাসভূমির প্রতিষ্ঠায় উভয় জনগণ যে লড়াই করেছে সেটা ভুলে গেলে চলবে না।’
‘ফলে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জনগণের ভালো করার জন্য শুভেচ্ছা, বন্ধুত্ব ও সহাবস্থানের চেতনায় সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়াই হবে ইতিবাচক’ মনে করে পাকিস্তান।

 

সূত্র: ডন

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা