,

যুদ্ধাপরাধ আইনগতভাবে প্রমাণিত হয়েছে

news-image

 দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে যাদের বিচার হচ্ছে তারা এই অপরাধে যুক্ত ছিলেন না তাদেরকে অন্যায়ভাবে শাস্তি দেয়া হয়েছে এই অংশটা বলার অধিকার কারো নেই। কারণ এইটাই আইনগত প্রক্রিয়ায় প্রমাণিত হয়েছে। প্রমাণ হয়েছে এটা মৌখিকনা, সবকিছুর প্রমাণ আছে। সুতরাং যে জাজমেন্টগুলো দেওয়া হয়েছে সেগুলো গোপন না, সংক্ষিক্ত রায় না, বিস্তারিত জাজমেন্ট। এই রায়গুলো সংক্ষিপ্ত দেওয়া যায় না এইজন্য যে এটা কার্যকর করতে হবে বিশেষ করে ফাঁসির ক্ষেত্রে।


সোমবার রাতে ৭১টেলিভিশনে একাত্তর জার্নাল অনুষ্ঠানে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার সম্পর্কে এ অভিমত দেন সিনিয়র সাংবাদিক নাঈমুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, এ বিচারে অন্যান্য রায়ের ক্ষেত্রে রায় আটকে রাখা যায়, ঠিকআছে ছয় মাস পরে দিলাম, এটাতে কিছু আসে যায়না। এই রায়ে সমস্ত জাজমেন্ট আছে। শুধু মুজাহিদের ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে একটা কেসে মুজাহিদ সরাসরি কোন কিলিং এর সাথে জড়িত না। কিন্তু তার নেতৃত্বে যেহেতু বদর বাহিনী গঠিত হয়েছিল এবং তার নির্দেশে যেহেতু এই বাহিনী পরিচালিত হত সেকারণে এই বাহিনীর সমস্ত কর্মকান্ডের দায়-দায়িত্ব গিয়ে তার উপর বর্তায়। সরল মানুষরা হয়তো মনে করবেন মুজাহিদকেতো কোনদিন কাউকে কিছু করতে দেখি নাই। আমাদের দেশে সেরকম সরল মানুষ আছে এবং রাজনীতিবিদদের মধ্যেও বোকা সরল রাজনীতিবিদের ভান করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটা প্রচেষ্টা দেখা যায়।


ফেসবুক বন্ধ করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি নিজে ফেসবুক কেউ এক সেকেন্ডের জন্য বন্ধ করবে এটা সাপোর্ট করি না। আমারও মনে হয় ফেসবুক বন্ধ করার পরেও বিকল্প উপায়ে অনেকে এটা ব্যবহার করছে কিন্তু এটা একটা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসাবে বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে এই পদক্ষেপ নেয়াটা আমি অন্যায় মনে করি না। যেহেতু আমাদের জানা আছে ফেসবুকে চাঁদেরমুখ দিয়ে কি সর্বনাশ এদেশে করা হয়েছিল। সুতরাং বাংলাদেশে এরকম আরেকটা ঘটনা আবার ঘটতে পারত, অসম্ভব কিছু ছিল না। হয় নাই যখন তাহলে ধরে নিব ফেসবুক বন্ধ করাটা দোষের কিছু হয় নাই। একটি বিশেষ অবস্থায়, বিশেষ বিবেচনায়, জন নিরাপত্তায় এটা বন্ধ করা হয়েছে। দলীয় রাজনীতির স্বার্র্থে যদি কোন দিন ফেসবুক বন্ধ করা হয় তাহলে আমি প্রটেষ্ট করব। সারা দুনিয়ায় জননিরাপত্তার স¦ার্থে এ ধরনের কাজ করা হয় কিন্তু সাধারণ মানুষ এটা মেনে নিতে পারেনা। কিন্তু সবাইকে এই ধরনের সিন্ধান্ত মেনে নিতে হয় বৃহত্তর স্বার্থে।
তিনি বলেন, ফেসবুক বন্ধ করার ফলে সাধারণ মানুষের সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু যারা ক্রিমিনাল তাদের খুব একটা সমস্যা হচ্ছেনা। কিন্তু ক্রিমিনালদের নেটওয়ার্ক দিয়ে নাধারণ মানুষের মধ্যে যাতে বিস্তার না ঘটাতে পারে সেটা প্রতিরোধ করা গেছে।


নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, ১৯৭১ সালে আলী আহসান মোহাম্মহ মুজাহিদ এবং সাকা চৌধুরী তাদের সামরিক, রাজনৈতিক, শারীরিক, মানসিক সর্বাত্মক ভূমিকা পাকিস্থানের পক্ষে ছিল। সাকা চৌধুরী নিজ হাতে গুলি করে মানুষ হত্যা করেছে। আমি আদালতের রায় এবং সেখানকার পর্যবেক্ষণ, ডকুমেন্টটেশনের ভিত্তিতে বলছি হত্যাকান্ডগুলোত তারা অংশীদার ছিলেন।
তিনি বলেন, যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করে নাই, শুধু শান্তি কমিটির সদস্য ছিল কিন্তু সরাসরি কোন লুট , অগ্নিসংযোগে অংশ গ্রহণ করে নাই তারা সহযোগি। যারা আলবদর তারা সহযোগী না তারা প্যারামিলেশিয়া তারা সরাসরি অপরাধের সাথে জড়িত।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা