,

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে হাসপাতালের মেশিনের টাকা আত্মসাত

news-image

হাসপাতালের  মেশিন ক্রয় নিয়ে দু’পক্ষের বিরোধকে কেন্দ্র করে আদালতে একটি মামলা করা হলে আসামীদের সমন দেওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে আসামী মো: মিজানুর রহমান আদালতে হাজীর হলে বিজ্ঞ আদালত জেল হাজতে প্রেরন করে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, সদর উপজেলার অষ্ট্রগ্রামের এমরান মিয়ার মধ্যে সহজ সরল সমীকরনের ব্যবসায়ীক সর্ম্পক গড়ে উঠে। তম্মধ্য ভৈরব শহরে নিউ মাতৃকা আধুনিক হাসপাতাল পার্টনারশিপ এর মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়। ২০১৪ সালে আগষ্ট মাসে হাসপাতালের জন্য মাইক্রোস্কপ মেশিন ক্রয়ের সিদ্ধান্ত হয়। মামলার বাদী আসামী মিজানুর রহমান গং এর ষড়যন্ত্র বুঝতে পারেনি বাদী মো: নুরনবী। সরল বিশ্বাসে মেশিন’র মূল্যবাবদ সর্বসাকোল্য ২৭ লক্ষ স্থির হয়ে প্রতিজন ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা প্রধান করে।পরবর্তীতে মেশিন ক্রয় সংক্রান্ত ভাউচার প্রদান করার কথা থাকলেও মেশিন ক্রয় না করে ৭ দিনের মধ্যে আসামী মিজানুর রহমান গং পরস্পর যোগ সাজসে আত্ন গোপন করে। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে ১১ অক্টোবর মো: হুমায়ূন কবির এর পরিকল্পনা মতে হাসপাতালের ব্যবসা বন্ধ করে মামলার বাদী ও স্বাক্ষীগনের প্রদেয় পুজির টাকা ফেরত প্রধানের প্রস্তাব করলে আসামীদের নিকট মালিকানা হস্তান্তর করা হয়। তাহারা আসামীগণ বাদী ও ১-৬ নং স্বাক্ষীগনের পুজি বাবদ প্রদানকৃত টাকা ফেরত প্রদান করিবার প্রস্তাব করিলে বাদী ও ১-৬ নং সাক্ষীগন ক্রমাগত লোকসান হইতে মুক্তি পাওয়ার জন্য আসামী হুমায়ূন কবির মিন্টুর প্রস্তাবের কথায় রাজী হয়। আসামীগন তাহাদের ষড়যন্ত্র কে বাস্তবায়ন করিবার জন্য বিগত ১৫ মার্চ বিকাল ৪ ঘটিকায় নিউ মাতৃকা  হাসপাতাল ভৈরব একত্রিক হয়ে, বাদীও ১-৬ নং আসামী ১২ জুলাই বাদীও ১-৬নং সাক্ষীগন হইতে মাইক্রোস্কপ মেশিন ক্রয় করিবার জন্য ১৫,৭৫,০০০/ টাকা ব্যাক্তিগত ভাবে পরিশোধ করিবার প্রতিশ্রুতি প্রদান করিলে বাদী ও ১-৬ নং সাক্ষীগনের মালিকানা অংশ বাবদ টাকা সাব্যস্থ করিয়া ১২ জুলাই প্রদান করিয়া বাদী ও ১-৬ নং সাক্ষীগনের নিকট হইতে পাকা রশিদ গ্রহন করিবার র্শতে বাদী ও সাক্ষীগনের অংশ নিউ মাতৃকা আধুনিক হাসপাতালের মালিকানা ও দখল সম্পূর্ণ রূপে গ্রহন করে। ১নং আসামী  মেশিন ক্রয়ের টাকা একক ভাবে এবং হাসপাতালের মালিকানা বাবদ অপরাপর আসামীগনের তাহাদের প্রতিশ্রুতি মত বিগত ১২ জুরাই ২০১৫ ইং বাদী ও ১-৬ নং সাক্ষীগনের টাকা পরিশোধ না করিয়া ঘুরাইতে থাকিলে বাদী ও সাক্ষীগন বিগত ১৫ জুলাই ২০১৫ইং তারিখে মাতৃকা আদুনিক হাসপাতালে গিয়া ১নং আসামীকে তাহার নিকট ব্যক্তিগত ভাবে পাওনায়  মাইক্রোস্কপ মেশিন বাবদ নেওয়া মং ১৫,৭৫,০০০/- টাকা সকল আসামীগনকে বাদী ও ১-৬ নং সাক্ষীর মালীকানা অংশ বাবদ পাওনীয় মং ১৯.০০৭৬৭ টাকা পরিশোধ দাবী করিলে ১নং আসামী ও অপরাপর আসামীগন পরস্পর বাদী ও ১-৬ নং সাক্ষীগনের সাথে তাহাদের সমস্থ লেনদেন অস্বীকার করে। বিশেষ সম্মানিত আত্নীয়র দাপট দেখিয়ে মারাত্বক আগ্নেয় অস্ত্রের দ্বারা প্রানে হত্যার ভয় দেখাইয়া বাদী ও ১-৬ নং সাক্ষীগনকে ভৈরব কমলপুর ত্যাগ করিতে বাধ্য করে। এই অবস্থায় নিরীহ মো: নুরন্নবী কোন রাস্তা না দেখে  বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ব্রাহ্মণবাড়িয়া  আদালতে ২৬ জুলাই ২০১৫ ইং সিআর মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-সিআর ৫১৯/১৫ আদালত সদর উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের মো: মিজানুর রহমান ভৈরব কমলপুর এর মো: হুমায়ূন কবীর  মিন্টু মো: হোসেন ভূইয়া ও সদর থানার অষ্ট্রগ্রামের এমরান মিয়ার বিরুদ্ধে সমন দেয়া হয়। পরবর্তীতে গত ২৯ অক্টোবর ২০১৫ মামলার প্রধান আসামী মো: মিজানুর রহমান আদালতে হাজির হলে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরন করে। 

 

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা