,

‘জেলহত্যা মামলায় ২০০৪ সালের দেয়া রায় ছিল অর্থহীন’

news-image

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ ৪০ বছর অতিবাহিত হলেও এই হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ১১ জন আসামির দণ্ডাদেশ এখন পর্যন্ত কার্যকর হয়নি। তারা বিদেশে পলাতক রয়েছে। আগামীকাল জেলহত্যা দিবসকে সামনে রেখে জাতীয় চার নেতার এক নেতা এ এইচ এম কামরুজ্জামানের বড় ছেলে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ‘২০০৪ সালের দেয়া রায় ছিল অর্থহীন। জাতির ইতিহাসে এই ঘটনাকে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।’
 
জাতীয় চার নেতারা হলেন- ১৯৭১ সালে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী এম মনসুর আলী এবং স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী এ এইচ এম কামরুজ্জামান। কতিপয় সেনা কর্মকর্তা তাদেরকে কারাগারে হত্যা করে।লিটন বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ড দেশে বিশৃঙ্খলা, অস্থিতিশীল রাজনীতি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করে। এই হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি জাতির জন্য একটি কলংকিত অধ্যায় হিসেবে বিরাজ করবে।’
 
তিনি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের রায় জাতির এই চার নেতার পরিবারের জন্য শুধুমাত্র একটি সান্ত্বনা।’ লিটন বলেন, ‘আমরা শেষ পর্যন্ত অন্ততঃ বিচারের রায় কার্যকর দেখতে চাই।’ খবর বাসসের।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা