,

খুলনার মেয়র মনিরুজ্জামান মনি বরখাস্ত

news-image

দুটি ফৌজদারি মামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামি
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনিকে সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপ-সচীব মো. আব্দুর রউফ মিয়া স্বাক্ষরিত এক ফ্যাক্স বার্তা সোমবার বিকালে কেসিসি কার্যালয়ে পৌঁছেছে। তার বিরুদ্ধে খুলনা সদর থানার দু’টি মামলার অভিযোগপত্র আদালতে গৃহিত হওয়ায় তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে ফ্যাক্স বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে। নির্বাচিত হওয়ার পর দু’ বছর এক মাস আট দিনের মাথায় তিনি বরখাস্ত হলেন। 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোকুল কৃষ্ণ ঘোষ এ ফ্যাক্স বার্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ফ্যাক্স বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, কেসিসি মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনির বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ২৬ নভেম্বর খুলনা সদর থানায় ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়। চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল ওই মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়। গত বছরের ৪ জানুয়ারি খুলনা সদর থানায় তার বিরুদ্ধে অপর একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়। চলতি বছরের ৩১ মে ওই মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়। স্থানীয় সরকার আইন-২০০৯ (২০০৯-এর ৬০ নম্বর আইন) এর ধারা-১২ এর উপ-ধারা (১) মোতাবেক সিটি কর্পোরেশন মেয়রের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার অভিযোগপত্র আদালত কর্তৃক গৃহীত হলে তাকে সাময়িক বরখাস্তের বিধান রয়েছে। ওই একই আইনের ১২ এর উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির পক্ষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. আব্দুর রউফ মিয়া এ ফ্যাক্স বার্তায় স্বাক্ষর করেন।
 
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৫ জুন অনুষ্ঠিত খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি প্রায় ৬৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সাবেক মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেককে পরাজিত করে মেয়র পদে বিজয়ী হন। ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর তিনি মেয়র হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সরকার বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে মহানগর বিএনপি সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও মেয়র মনিরুজ্জামান মনিসহ বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে উল্লিখিত দু’টি মামলায় চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। 
 
এদিকে মেয়র মনি’র বরখাস্তের খবর পেয়ে সোমবার বিকেলে কেসিসি ভবনে মেয়রের দপ্তরে গিয়ে মেয়রকে পাওয়া যায়নি। তিনি দুপুর সাড়ে ৩টায় অফিসে প্রবেশ করে আধা ঘন্টা পর ৪টায় একটি অনুষ্ঠানে বের হয়ে যান। এরপর বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে পুনরায় অফিসে প্রবেশ করে বরখাস্তের খবর পেয়ে ৫ মিনিট পর ৫টা ২৫ মিনিটে অফিস ত্যাগ করেন বলে তার দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। সন্ধ্যায় সিটি মেয়র মনিরুজ্জামানের ব্যক্তিগত মোবাইলফোনে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা