,

টার্গেট ছিল যেকোনো ফরেনার : ডিএমপি কমিশনার

news-image

তাভেলা সিজার নয়, যেকোনো একজন বিদেশিকে খুন করে দেশকে অস্থিতিশীল করাই খুনিদের উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। আর এ খুনের মাস্টারমাইন্ড বা মূল পরিকল্পনাকারী খুনিদের টাকার বিনিময়ে ভাড়া করেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, খুনিদের টার্গেট তাভেলা সিজার ছিলেন না। যেকোনো হোয়াইট বা ফরেনারকে হত্যা করাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। আর এ নির্দেশ দিয়েছেন একজন কথিত বড় ভাই। নির্দিষ্ট টাকায় তারা ভাড়াটে হিসেবে খুন করেন। অর্ধেক টাকা তারা পেয়েছেন, বাকি অর্ধেক তারা পাননি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা এমন কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত করেও এ ব্যাপারে সুনিশ্চিত হওয়া গেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা অনুমাননির্ভর হয়ে বলছি না। তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে সুনিশ্চিত হয়েছি। এখন এই কথিত বড় ভাইকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছি। এই বড় ভাইকে গ্রেপ্তার করতে পারলে আরো ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে কারা আছেন তা জানা যাবে। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা আছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চান, কিছুদিন আগে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছেন তাদের এর সঙ্গে যোগসূত্র আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অকাট্য প্রমাণ, বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ না পেয়ে বলতে পারছি না। নিশ্চিত হয়েই রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততার কথা বলা হবে। তবে জানুয়ারি থেকে ৯২ দিন যারা অবরোধ ডেকে মানুষ হত্যা করেছিল, তারা জড়িত আছে বলে প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, আমরা যাদেরকে ধরেছি, তারা বলেছে কথিত ওই বড় ভাই নির্দেশ দিয়েছে একজন বিদেশিকে মারতে হবে। ওরা বলেছে কেন? সেই বড় ভাই বলেছে, সরকারকে চাপে রাখার জন্য যেকোনো বিদেশিকে হত্যা করতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমরা কথিত ওই বড় ভাইকে গ্রেপ্তার করতে পারলে ঘটনার সব রহস্য উদঘাটন করতে পারব। আমাদের ওপর আস্থা রাখুন। আমরা অবশ্যই এ রহস্য উদঘাটন করব। কথিত বড় ভাইকে শনাক্ত করা গেছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কথিত বড় ভাইকে শনাক্ত করতে পারিনি তা নয়, আমরা তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। আটককৃত চারজনের ব্যাপারে তিনি বলেন, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে আমরা তাদের শনাক্ত করেছি। তারপর তাদের ধরেছি। তারা স্বীকারোক্তি দিয়েছে। জব্দকৃত মোটরসাইকেল মালিকও স্বীকারোক্তি দিয়েছে। এর আগে রবিবার রাতে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন তিন খুনিসহ চারজনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। আটককৃতরা হলেন : মো. রাসেল ওরফে ভাগনে রাসেল, মিনহাজ রাসেল ওরফে চাকতি রাসেল ও শ্যুটার রুবেল। এ ছাড়াও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের চালক সাখাওয়াতকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছে থাকা একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

 

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা