,

কিডনি রোগ থেকে বাঁচতে এনার্জি ড্রিংক পরিহার করুন এখনি।প্রচারে রুখে দাড়ান।

news-image

হাবীব উল্লাহ্‌ঃ আপনে আমি চাইলেই কিডনি রোগ থেকে নিজেদের বাচিয়ে রাখতে পারি।তারজন্য প্রয়োজন সচেতনতা আর সতর্কতা।আর প্রয়োজন নিজেদের ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগানো। ২০/২২ থেকে ৩০ এর মধ্যে যেসব ভাই বেরাদরেরা আছেন তারা বিভিন্ন উৎসব পার্টিতে অথবা আড্ডায় একটা তরল পদার্থ পান করে থাকেন।আজকাল মফস্বলের ভাই বেরাদরেরাও কম যায়না এই তরল পদার্থ পানে!

জ্বী না আমি মদের কথা বলতেছিনা।

আমি বলতেছি এনার্জি ড্রিংকের কথা।

কিছুক্ষন হয়ত মাথা্টা ক্লিয়ার হইয়া যায় এইসব এনার্জি ড্রিংকে।কিন্তু এর পরবর্তি প্রতিক্রিয়াটা কিন্তু সহজেই আপনের লাইফকে বিপদে ফেলে দিতে পারে।

আমাদের দেশিয় এনার্জি ড্রিংক অথবা বিদেশি যাই বলেন না কেন সবগুলাই ক্ষতিকর।

রেডবুলে আপনের কোন ক্ষতি করবেনা তেমন না।রেডবুল আরো বেশি মাত্রায় ক্ষতি করবে।

তাছাড়া রেডবুলে নাকি ষাড়ের ঐ জিনিষ ও মেশানো হয়…কি ভয়ংকর ব্যাপার স্যাপার!

ভাবতেই তো ঘৃনা লাগে।সেসব পান করতে কি আপনের একটু ও ঘৃনা লাগবেনা??

এইসব এনার্জি ড্রিংক দীর্ঘদিন পান করলে আপনের কিডনি যেকোন সময় অকেজো হয়ে পরবে যা আপনি টের ও পাবেন না।আর সাময়িক আনন্দে এই এনার্জি ড্রিংক পান করাতে যদি আপনের শরীরের সবচেয়ে মূল্যবান দুটি অংগ হারাতে চান তাহলে আপনাকে ঠেকানের সাধ্যি কারো নাই।

তাছাড়া আপনের ব্লাডপ্রেশার বাড়াতে সাহায্য করবে এই এনার্জি ড্রিংক।

এছারাও পাওয়ার হর্স সহ বিভিন্ন ধরনের ড্রিংক্স পাওয়া যায় গ্রামে গঞ্জে…

সেসবে হাত ও লাগাবেন না…পরিচিতজনদের ও সাবধান করবেন এসব থেকে দূরে থাকতে।

এ গেল সতর্কতা।

কিন্তু এ থেকে আমি আর আপনে অথবা আমাদের পরিচিতজনকে কিভাবে বাঁচাবো???

উপায় নাই আসলে।যদি নিজেদের মনকে শক্ত হাতে দমন করতে না পারি তাহলে এ থেকে বাঁচার আসলেই কোন উপায় নাই।

কিভাবে???

মানুষ অল্প কিছু পয়সার জন্য ১০ জনকে মেরে ফেলতেও দ্বিধা করেনা।এরকম রেকর্ড সেই আম্রিকা আবিষ্কারের সময় থেকেই আমরা জেনে আসছি।এই ধারা নিশ্চয় সেদিন থেকেই শুরু হয়নাই।তার ও বহু আগে থেকেই নিশ্চয় চলতেছে?

মানুষ মানুষকে মেরে ফেলার এই প্রক্রিয়ায় শুধু খারাপ মানুষেরাই জড়িত তেমন ভাববেন না।আমাদের চোখে অনেক ভালো মানুষ ও এইসবের সাথে জড়িত।যারা নিজেদের ইমেজ ব্যাবহার করে আমাদের তিলে তিলে মারার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহন করতেছে।

তো তাদেরকে আমরা পুজা করি কেন?

তারা কি সেইসব ডাকাতদের থেকে কোন অংশে কম ক্ষতি করতেছে আমাদের?

আমরা এত অন্ধ কিভাবে হই???

ব্যাক্তিগতভাবে আমি এদের ঘৃনা করতে শুরু করেছি অনেক আগে থেকেই।

জেমস আইয়ুব বাচ্চু আমার কিশোর বেলার অনেক প্রিয় শিল্পী।কিন্তু এরা নিশ্চয় মানুষকে তিলে তিলে মারার কন্ট্রাক্ট নিতে পারেনা শুধু কিছু কাচা টাকার লোভে।

এতটুকু দায়িত্ববোধ যদি এদের মধ্যে না থাকে তাহলে এদের পুজো করার কোন মানেই থাকতে পারেনা।

এরা আমার চোখে ঘৃনার পাত্র।

আপনেরা কি চোখে দেখবেন সেটা আপনাদের উপরেই ছেড়ে দিলাম।

তারপরে ধরেন নাম্বার ওয়ান শাকিব খান।

ব্লগে তার প্রচারে প্রসারে আমি কোন কমতি করিনাই।ফেসবুকেও তার পক্ষে যুক্তি তর্ক চালিয়েছি।অনেককেই তার প্রতি বিরূপ ধারনা পরিবর্তন করাতে পেরেছি।

সেই শাকিব খান সাহেব অ তার কোটি দর্শকের কথা না ভেবে তাদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছেন পাওয়ার এনার্জি ড্রিংকের ব্র্যান্ড এম্বাসেডর হয়ে।বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে।

কি আজব মানুষ…যারা গাটের পয়সা খরচ করে তার সিনেমা দেখে সেই তাদেরকে যেই প্রোডাক্ট ক্ষতি করবে সেই এড একজন শিল্পী কিভাবে করে আমার মাথায় ধরেনা।

দায়িত্ববোধের মা বাপ কইরা ছেড়ে দিচ্ছেন আমাদের এইসব পূজনিয় সেলিব্রিটিরা।

সর্বশেষ,বাংলাদেশে আসার সময় হুইল চেয়ারে করে আসতেছিলাম প্লেন থেকে নেমে।

এয়ারপোর্তের ভিতরেই দেখলাম আমাদের আরেক নাম্বার ওয়ান সাকিব আল হাসান ও একই কান্দে জড়িয়ে গেছেন।বিশাল এক পোষ্টারে এনার্জি ড্রিংক হাতে পোজ মেরেছেন।

সচেতনতা তৈরি করবে যারা তারাই যদি নিজেদের এভাবে বিকিয়ে দেয় তাহলে এই গরিব বাংগাল যাবে কোথায়?

গান সিনেমা বাদ দিলাম…ক্রিকেট ই তো এইদেশের আপামর জনসাধারনের ভালোবাসা।

আর সেখানে সাকিব আল হাসানের জায়গা কোথায় তাও নিশ্চয় বলে দিতে হবেনা।

আমি এদের ভক্ত।আর এরা আমাকে উস্কে দিচ্ছে বিষ কিনে খাও…তারপরে রোগ বাধাও…ভাবলেই ঘিনঘিন করে এখন আমার।

এদের দায়িত্ব শিখাবে কারা???

এদের সচেতন হতে বলবে কে?

এদের নৈতিকতা শিখাবে কে???

এদের মাথায় তুলে নাচবেন আর অশিক্ষিত বাংগাল বিদেশীদের রাস্তা সাফের ছবি তুললে রাগে গিজগিজ করবেন…নিজেদের ধিক্কার দিবেন…

লাভ কি কিছু হইবে???

জায়গামত আওয়াজ তুলেন দাদা…পাশে আছি পাশে থাকব।

ফাও জিনিষ নিয়া গ্যাজাইয়া পরিবেশ নষ্ট করে কি ফায়দা হয়?
দুইজনে কাছে আমার এই বক্তব্য পৌছানের সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি।

দুইজন ই বর্তমানে নাম্বার ওয়ান নামে স্বীকৃত।

তাদের ফ্যান পেইজের এডমিনেরা আমার বন্ধু লিষ্টে আছেন।যারা তাদের সাথে চাইলেই দেখা করতে পারেন।চাইলেই তাদের হিরোকে এই ব্যাপারে সতর্ক করতে পারেন।বৃহত্তর স্বার্থের দিকে তাকিয়েই তাদের এটা করা উচিৎ।

নিশ্চয় তাদের আত্মিয় স্বজনের মধ্যেও কেউ হয়ত ডায়ালাইসিসের জীবন পার করতেছেন।কেউ হয়ত কিডনি নষ্টের কারনে মারাও গিয়েছেন।

তাদের হক নিশ্চয় এডমিন ভাইদের উপরে আছে।

আর যদি তারা এসব বুঝেও না বুঝার ভান করে পরে থাকেন,নিশ্চুপ থাকেন তাহলে আমরা আমাদের দায়িত্বে যেন অবহেলা না করি।

আমরা যেন এর প্রতিবাদ করতে না ভুলি।প্রয়োজনে তাদের বর্জনেও যেন আমরা পিছপা না হই।

বিঃদ্রঃ

সেদিন আইয়ুব বাচ্চুর সাথেও দেখা হয়েছিল এয়ারপোর্টে।আনন্দের সাথে জানাই আপনাদের তারে দেইখা আমার কোন ফিলিংস ই জাগেনাই হাই হ্যালো করার।

আমি নিজেকে অন্তত এতটুকু বদলাতে পারেছি।

আশা করছি আপনারাও পারবেন।

ভালো থাকবেন সবাই!

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা