বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধু, বাস্তুহারা সমিতি ও আমাদের প্রত্যাশা

news-image

বাংলাদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠি তথা বাস্তুহারা বস্তিবাসীদের জন্য ১৯৬৬ সালের ১৪ই জুন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ বাস্তুহারা সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে বাঙালি জাতি সত্ত্বার প্রম্নে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে বাস্তুহারা সমিতির নেতা কর্মী এবং বস্তিবাসী। সাধারণ মানুষের অবদান কোনক্রমেই খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। ১৯৬৬ এর ৬ দফা, ১৯৬৮-১৯৭০ এর গণ আন্দোলনের দিন গুলোতে রাজপথ কাপানো মিছিল মিটিং হরতাল অবরোধে বস্তিবাসীদের ভূমিকা এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে অন্যন্তকাল। একাত্তোরের মার্চ এর তরঙ্গ বিক্ষুব্ধ প্রতিটি মূহুর্তের প্রাণ শক্তি ছিলো খেটে খাওয়া দিন মজুর, ভুখানাঙা গরীব-দরিদ্র জনগোষ্ঠি। মুক্তিযুদ্ধে এদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভূমিকা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের মাইল ফলক হয়ে থাকবে। মূলতঃ এ-কারনেই পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠি বাঙালি বস্তিবাসীদের পূণর্বাসনের কোন প্রকার উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। বরং মিরপুর, মোহাম্মদপুর, রংপুর, দিনাজপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় উর্দুভাষী বিহারী ও রিফুজীদের পুনর্বাসন করা হয়েছিলো মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু তাঁর নিজ হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ বাস্তুহারা সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পরামর্শক্রমে বাস্তুহারা বস্তিবাসীদের পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসনের পদক্ষেপ গ্রহন করেন। টঙ্গীর দত্তপাড়া, রূপগঞ্জের চনপাড়া, কেরানীগঞ্জের আমবাগিচা, ঢাকার মিরপুর, রূপনগরে টিনশেড কলোনী সহ রাজশাহী, খুলনা, চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন এরাকায় জমি বরাদ্দের কার্যকরী পদক্ষেপ সমূহ উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রয়েছে। অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে বলতে হয়, কুচক্রীরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্ব-পরিবারে হত্যা করে বস্তিবাসী গরীব দরিদ্র জনগোষ্ঠির আশা আকাঙ্খাকে হত্যা করে। এই গরীব দরিদ্র জনগোষ্ঠিই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের পরবর্তীতে হত্যার প্রতিশোধের আন্দোলন সংগ্রামে সোচ্চার ছিলো। বস্তিবাসী গরীব মানুষেরা বিশাল অট্টালিকা আর সুন্দর সুন্দর পাজাড়ো গাড়ীতে চরতে চায় না এরা চায় নূন্যতম বাঁচার অধিকার। বাস্তুহারা পূর্ণবাসন সত্যিকার অর্থে একটি কঠিন কাজ। প্রয়োজন অর্থ, সময়, পরিকল্পনা ও আন্তরিকতার। এ ব্যাপারে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যে সময়োপযোগী পদক্ষেপ ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
পাঠকবর্গ আসুন, আমরা সবাই মিলেমিশে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ বাস্তুহারা সমিতি বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী বাস্তুহারা লীগের মাধ্যমে বাস্তুহারা পূর্ণর্বাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে দেশরতœ শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার দৃঢ় শপথ গ্রহণ করি।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা