,

প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের ১০৮ কোটি টাকা অব্যবহৃত: টিআইবি

107252_1ডেস্ক রির্পোট : ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, সাভারের রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ প্রায় ১২৭ কোটি টাকা। তবে এর মধ্যে প্রায় ১০৮ কোটি টাকা এখনো অব্যবহৃত রয়েছে।

মঙ্গলবার তৈরি পোশাক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গৃহীত পদক্ষেপের ওপর এক পর্যালোচনা প্রতিবেদনে টিআইবি এ তথ্য প্রকাশ করে।

রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে নিজস্ব কার্যালয়ে টিআইবির এই প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়। 

প্রতিবেদনের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন টিআইবির সহকারী কর্মসূচি ব্যবস্থাপক নাজমুল হুদা। পরে এ নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান সুলতানা কামাল ও টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।

রানা প্লাজার দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, রানা প্লাজায় ডোনার’স ট্রাস্ট ফান্ডে ক্রেতা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংগঠন থেকে প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ প্রায় ১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে প্রদানের পরিমাণ প্রায় ২.৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ প্রায় ১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১২৭ কোটি টাকা)। 

এর মধ্যে প্রায় ১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১০৮ কোটি টাকা) এখনো অব্যবহৃত রয়েছে।

প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলে, যারা ক্ষতিপূরণ পেয়েছে তাদের তালিকা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। বণ্টনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগ আছে। এ ছাড়া বণ্টনে দীর্ঘসূত্রতা আছে। ট্রাস্ট ফান্ড পরিচালনা ব্যয় সম্পর্কিত তথ্যও প্রকাশিত হয়নি। 

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রির রানা প্লাজা ধসে অন্তত ১,১২৯ জন গার্মেন্ট শ্রমিক নিহত এবং শত শত শ্রমিক আহত হন। হতাহত শ্রমিকদের স্বজনরা ক্ষতিপূরণের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন চালিয়ে আসছেন।

টিআইবি তাদের সুপারিশে বলেছে, রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণপ্রাপ্তদের তালিকা ও ক্ষতিপূরণের পরিমাণ প্রকাশ করতে হবে। প্রতিবেদনে গত এক বছরে তৈরি পোশাক খাতে কী কী অগ্রগতি হয়েছে তা যেমন তুলে ধরা হয় তেমনি বিভিন্ন সমস্যার কথাও তুলে ধরা হয়।

গত বছরের এপ্রিল থেকে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত তথ্য নিয়ে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, খরচ বৃদ্ধির পরোক্ষ প্রভাব হিসেবে গত এক বছরে ৩০ শতাংশ কার্যাদেশ বাতিল হয়েছে। এছাড়া কার্যাদেশ বাতিল ও কমপ্লায়েন্ট ঘাটতির অজুহাতে ২২০টি মাঝারি ও ক্ষুদ্র আকারের কারাখানা বন্ধ হয়েছে। প্রায় এক থেকে দেড় লাখ শ্রমিক চাকরিচ্যুত হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ট্রেড ইউনিয়নের কার্যক্রম বৃদ্ধি পেলেও ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের আবেদন গ্রহণে ৫ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়মবহির্ভূতভাবে দিতে হয়। শ্রম পরিদপ্তরের কর্মকর্তা এই টাকা নিচ্ছেন।

এ জাতীয় আরও খবর

‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজে’ সমাধান! সম্মানজনক পারিশ্রমিক দাবি ক্রিকেটারদের

মাতৃত্বের পর শরীর নিয়ে কটাক্ষ, এবার মুখ খুললেন ক্যাটরিনা

একাদশে ভর্তি থেকে ছিটকে পড়লো ১ লাখ ২৭ হাজার শিক্ষার্থী

এবার গুলশানের এডিসিসহ চার কর্মকর্তাকে বদলি

নতুন পে-স্কেলের সুবিধা পাবেন না যারা

আল্লাহর কসম, এই দাবিগুলো দলের নয়, জনগণের: জামায়াত আমির

ডেঙ্গুর থাবা সারাদেশে, রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও

মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রয়োজনে জীবন দেব, দাবি আদায় না করে ঘরে ফিরব না : শফিকুর রহমান

রাজধানীতে ৩ বাসে আগুন

অপ্রতিম হত্যা: সিসিটিভির সূত্রে ৩ জন আটক

এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর