,

বিপদের নাম যদি হয় ডেঙ্গু, তবে নিন চিকিৎসকের পরামর্শ

news-image

ডেঙ্গু একটা ভাইরাসজনিত রোগ। এর কারণ হচ্ছে ডেঙ্গু ভাইরাস, চারটি ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত  ভাইরাসের কারণে এটি হয়ে থাকে। এগুলো হচ্ছে : ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩, ডেন-৪ (সম্প্রতি পঞ্চম সেরোটাইপটি আবিষ্কৃত হয়েছে, যার নাম ডেন-৫)। ডেঙ্গু ভাইরাস মানুষের শরীরে ছড়ায় মশার মাধ্যমে। এই রোগ সারা বছর হতে পারে তবে মূলত বর্ষাকালে এর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। মানুষ থেকে মানুষে এই রোগ ছড়ায় না।

ডেঙ্গুতে প্রথমবার আক্রান্ত হলে যে জ্বর হয়, তাকে বলে ক্যাসিকাল ডেঙ্গু ফিভার। সাধারণ চিকিৎসায় এটি সেরে যায়। কিন্তু প্রথমবার ভালো হওয়ার পর যদি কেউ পরে অন্য ৩টি সেরোটাইপের কোনো একটির মাধ্যমে আক্রান্ত হন, তাহলে ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার বা ডেঙ্গু শক সিনড্রম হতে পারে। এটি মারাত্মক হতে পারে। ডেঙ্গু প্রসঙ্গে কথা হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বারডেমের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে। তাঁরা কালের কণ্ঠের পাঠকদের জন্য ডেঙ্গুর লক্ষণ, দ্রুত শনাক্তকরণ পদ্ধতি, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন। লক্ষণ : শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ করে ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত বেড়ে যায়। শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রচণ্ড ব্যথা ও রক্তক্ষরণ হতে পারে। মাথাব্যথা মাংসপেশি, চোখের পেছনের অংশ এবং হাড়ে, বিশেষ করে মেরুদণ্ডে প্রচণ্ড ব্যথা (হাড়ভাঙা জ্বর), অরুচি, বমি বমি ভাব হতে পারে। চামড়ার নিচে রক্ষক্ষরণ, কালো রংয়ের পায়খানা হতে পারে এবং দাঁতের মাড়ি, নাক, মুখ ও পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্তপাত হতে পারে।

দ্রুত শনাক্তকরণ পদ্ধতি : খুব অল্প পরিমাণ রক্ত নিয়ে ইম্যুনোক্রমাটোগ্রাফি পরীক্ষার মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বর শনাক্ত করা যায়।

চিকিৎসা : দ্রুত জ্বর কমানোর জন্য মাথায় পানি দিন এবং ভেজা কাপড় দিয়ে গা মুছে দিন। প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যেতে পারে। কোনো অবস্থায়ই 'অ্যাসপিরিন' জাতীয় ওষুধ খাওয়ানো যাবে না। রোগীকে উপসর্গ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে হবে এবং সার্বক্ষণিক মশারির ভেতরে বিশ্রামে রাখতে হবে। তাকে প্রচুর পরিমাণ পানি পান ও স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে। যদি রক্তপাত বা শক সিনড্রম দেখা যায়, তাহলে প্লাটিলেট কনসেনট্রেট বা প্লাজমার মাধ্যমে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। ডেঙ্গু জ্বর সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন অথবা নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

প্রতিরোধ : এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায়। ফুলের টব, হাঁড়ি-পাতিল, গাড়ির পরিত্যক্ত টায়ার, টিনের কৌটা, ভাঙা কলস, ড্রাম, ডাব-নারকেলের খোসা, এয়ারকনডিশনার ও রেফ্রিজারেটরের তলায় পানি জমাতে দেওয়া যাবে না। যেসব স্থানে মশা জন্মাতে পারে, সেখানে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। বাড়ির ভেতর, আশপাশ ও আঙিনা পরিষ্কার রাখুন এবং দিনে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করুন।
 

 

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ