টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা
অনলাইন ডেস্ক :বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে ভারতের মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায়। রোববার সন্ধ্যায় এ হামলার সময় অক্ষত থাকলেও তাঁর গাড়িচালকসহ আরও একজন আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, একটি ফুটবল মাঠ থেকে বিএমডব্লিউ গাড়িতে ফিরছিলেন টাইগার শ্রফ। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা তিন ব্যক্তি গাড়িটি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। তাঁদের মধ্যে দুজন গাড়ির সামনের কাচ ও পাশের জানালা লক্ষ্য করে গুলি চালান।
ফুটেজে আরও দেখা যায়, এক হামলাকারী গাড়ির জানালার কাছে গিয়ে গুলি চালানোর চেষ্টা করেন। তবে তাঁর অস্ত্রে সমস্যা দেখা দেয়। হামলায় অন্তত চারটি গুলি ছোড়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পরে হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
এ সময় গাড়িচালক ফিরদৌস গুলিতে আহত হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে টাইগার শ্রফ সামনের যাত্রীর আসন থেকে চালকের আসনে চলে যান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আহত চালককে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে গাড়ি ও সড়কে রক্তের দাগও দেখা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিনেতা নিরাপদে রয়েছেন। হামলার কারণ এবং এতে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নামে হামলার দায় স্বীকার
এদিকে হামলার দায় স্বীকার করে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তির অডিও বার্তা প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে অনিল পণ্ডিত নামে পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তি দাবি করেন, টাইগার শ্রফ তাঁদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছেন।
অডিও বার্তায় ওই ব্যক্তি অভিযোগ করেন, টাইগার তাঁদের নির্দেশ মেনে চলছিলেন না এবং অভিনেতা সালমান খানের সঙ্গে কাজ করছিলেন। তবে অডিও বার্তার দাবিগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গুজরাটের কারাগারে বন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই দীর্ঘদিন ধরে সালমান খানকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছেন। এর আগে সালমানের ঘনিষ্ঠজনেরাও বিভিন্ন হুমকি ও হামলার ঘটনার মুখে পড়েছেন।
টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। আটক ব্যক্তির পরিচয় ও হামলায় তাঁর ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
হামলার পেছনে কারা রয়েছে, এর উদ্দেশ্য কী এবং বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজের পাশাপাশি অন্যান্য তথ্য-প্রমাণও তদন্তে কাজে লাগানো হচ্ছে।










