নেতারা আটক, তবুও আন্দোলন চালানোর ঘোষণা সিজেপির
অনলাইন ডেস্ক : ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলের শীর্ষ নেতাদের আটক করা হলেও তরুণ ও সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণে বিক্ষোভ চলবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে নির্ধারিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলের নেতাদের আটক করা হয়। তবে এতে আন্দোলন থামবে না বলে স্পষ্ট করেছে সিজেপি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগই তাদের প্রধান দাবি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা ও মুখপাত্র সৌরভ দাসকে আটক করে পুলিশ। তারা এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে দিল্লি পৌঁছেছিলেন।
বিমানেই ধারণ করা এক ভিডিও বার্তায় অভিজিৎ দীপকে বলেন, জরুরি অবস্থার সময়ও ইন্দিরা গান্ধী এমন পদক্ষেপ নেননি বলে তিনি মনে করেন। বর্তমান পরিস্থিতিকে আরও খারাপ উল্লেখ করে তিনি জানান, তারা গ্রেপ্তার হওয়ার জন্যও প্রস্তুত।
সিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে একটি সাংবিধানিক আন্দোলন বন্ধ করার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ। দলের বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক ভিন্নমত দমনে ব্যাপক আটক অভিযান চালানো হলে গণতন্ত্র রক্ষায় সাধারণ মানুষকেই এগিয়ে আসতে হয়।
বিবৃতিতে মহাত্মা গান্ধী ও বি আর আম্বেদকরের আদর্শ অনুসরণ করে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে তরুণ সমাজসহ দেশের সব নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে, দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকে ঘিরে ধরপাকড়ের সমালোচনা করেছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই দিল্লি পুলিশ নাগরিকদের আটক করছে।
নেহা বোরার দাবি, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং দিল্লিতে অবস্থানরত ও সেখানে যাওয়ার পথে থাকা ব্যক্তিদের আটক করা হচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের দমনের চেষ্টা সত্ত্বেও আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দেয় সিজেপি ও কয়েকটি বামপন্থী সংগঠন। তবে কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি দেয়নি পুলিশ।











