,

সিইসিকে অপসারণ ইস্যুতে ৩০ সেপ্টেম্বর বৈঠকে আইএনডিআইএ জোট

news-image

অনলাইন ডেস্ক : ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করতে ৩০ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে আইএনডিআইএ জোটের অন্তত ২১টি দল। বৈঠকে সিইসির বিরুদ্ধে নতুন করে অপসারণের নোটিশ আনার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে দলের পরবর্তী কৌশল নির্ধারণ করা হবে।
নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই বিরোধী দলগুলোর এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে সম্প্রতি দাবি করা হয়, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশী এসআইআর-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও প্রক্রিয়া নিয়ে ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছিলেন। তবে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, অভ্যন্তরীণ আলোচনায় মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক এবং সব সিদ্ধান্ত আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনেই নেওয়া হয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এবং সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবিসহ বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতাদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি ইতোমধ্যে বিরোধী দলগুলোর নেতাদের চিঠি দিয়ে বৈঠকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন অবস্থানে থাকা তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিআই(এম)ও নির্বাচন কমিশন ইস্যুতে সমন্বিত অবস্থানের দিকে এগোচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে আম আদমি পার্টি (আপ) ও দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাজাগম (ডিএমকে) বৈঠকে অংশ নেবে না বলে জানা গেছে। দল দুটি অবশ্য সিইসির বিরুদ্ধে প্রস্তাবিত যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করতে পারে। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে থাকবেন।
বিরোধী দলগুলো এসআইআর কার্যক্রম বন্ধ করা এবং সিইসি নিয়োগের তিন সদস্যের প্যানেলে ভারতের প্রধান বিচারপতিকে রাখার দাবি তুলতে পারে। বাম দলগুলোর পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে এ বিষয়ে আবেদন জানানোর প্রস্তাবও আসতে পারে।
এদিকে জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধী দলগুলো নতুন একটি নোটিশ প্রস্তুত করেছে বলে জানা গেছে। আইনি পর্যালোচনা শেষে সেটি সংসদের উভয় কক্ষে জমা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনটি হলে সিইসিকে অপসারণের জন্য এটি বিরোধীদের তৃতীয় উদ্যোগ হবে।
কংগ্রেসের যোগাযোগবিষয়ক প্রধান জয়রাম রমেশ এসআইআর অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। রাহুল গান্ধীও নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন।
এর আগে চলতি বছরের জুনে ২৩টি বিরোধী দল একই কনস্টিটিউশন ক্লাবে বৈঠক করেছিল। ওই বৈঠকের পর এসআইআর ও নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে ভারতের প্রধান বিচারপতির কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দলগুলো। এবার ৩০ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সিইসিকে অপসারণের দাবিতে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

টরন্টো উৎসবে নাগাল্যান্ডের ‘আংহ’র বড় সাফল্য

সালমান ইস্যুতে জামায়াত-এনসিপি-আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রচারণার অভিযোগ

সালমানের অভিযোগকে ‘ঢালাও’ বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হামলার ঘটনায় সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান আসিফ নজরুলের

হামের উপসর্গে একদিনে আরও ৯ মৃত্যু

বিয়েতে রাজি না হওয়ায় ছাত্রী হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

২৭ বছর পর এরশাদ শিকদারের সহযোগী গ্রেপ্তার

মামলা না নেওয়ার অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জবাব সালমানের

জাসদ কার্যালয় থেকে আটক ২৭ জন কারাগারে

কৃষকরাই দেশের প্রধান শক্তি: রাষ্ট্রপতি

চাঁদাবাজদের ‘ভুলের ফল’ ভোগ করতে হবে: শফিকুর রহমান

ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ মৃত্যু, আক্রান্তের নতুন রেকর্ড