বিয়েতে রাজি না হওয়ায় ছাত্রী হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড
অনলাইন ডেস্ক : ঢাকার আশুলিয়ায় বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় রেজাউল ইসলাম নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রোববার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. হুমায়ুন কবির এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৭ সালের ২৮ মার্চ আশুলিয়ার বাসিন্দা ১৪ বছর বয়সী মাহমুদা আক্তার রক্সিকে বিয়ের প্রস্তাব দেন রেজাউল। রক্সি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে রেজাউল তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
এর কয়েকদিন পর ২০০৭ সালের ২ এপ্রিল সকালে রেজাউল রক্সির ঘরে ঢুকে ধারালো শাবল দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই রাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রক্সির মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর রক্সির খালাতো ভাই নুরুল ইসলাম বাবু আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত শেষে থানার এসআই আ. আলিম ২০০৭ সালের ৪ জুলাই রেজাউলকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
২০০৮ সালের ৪ মার্চ আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। বিচারকাজে রাষ্ট্রপক্ষের ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়। পরে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত রেজাউল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত রেজাউল ইসলাম রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার অভিরাম নুরপুর গ্রামের আব্দুল বারীর ছেলে।











