আরও চার ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন
অনলাইন ডেস্ক : দেশের ব্যাংকিং খাতে ডিজিটাল ব্যাংক চালুর প্রক্রিয়া আরও এগিয়েছে। নতুন করে চারটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। একই সঙ্গে আগে প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
প্রাথমিক অনুমোদনের জন্য বিবেচিত চার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক ও বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক। ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটানের উদ্যোক্তা ভুটানের ডিকে ব্যাংক। বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা হিসেবে রয়েছে বিকাশের শেয়ারধারীরা।
নোভা ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোগে রয়েছে বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপ। আর বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা লিমিটেড।
আবেদন করেছিল ১৩ প্রতিষ্ঠান
ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য গত বছরের ২৬ আগস্ট আবেদন আহ্বান করে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। এতে মোট ১৩টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে।
এসব আবেদনের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটর এবং মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা ছিল। তবে নানা কারণে আগের সময়ে এসব আবেদনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। পরে নতুন করে আবেদন আহ্বান না করেই আগের আবেদনগুলোর মধ্য থেকে প্রতিষ্ঠান বাছাই করা হয়েছে।
এলওআইয়ের পর শুরু হবে পরবর্তী প্রক্রিয়া
প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন লেটার অব ইনটেন্ট দেওয়া হবে। এরপর নির্ধারিত শর্ত ও অন্যান্য প্রক্রিয়া পূরণ করতে হবে। এসব ধাপ শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে কার্যক্রম শুরুর অনুমতি দেওয়া হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, একটি ডিজিটাল ব্যাংকের ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হতে হবে ৩০০ কোটি টাকা। প্রচলিত ব্যাংকের মতো এ ধরনের ব্যাংকের গ্রাহকসেবা দেওয়ার জন্য শাখা বা উপশাখা থাকবে না।
ডিজিটাল ব্যাংক শুধু প্রধান কার্যালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। গ্রাহকদের সেবা দিতে কোনো ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি), বুথ, শাখা, উপশাখা, এটিএম, সিডিএম বা সিআরএম থাকবে না। অ্যাপ, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।











