মা হওয়ার পর সৌন্দর্য নিয়ে যা বললেন ক্যাটরিনা
বিনোদন ডেস্ক: মা হওয়ার পর নিজের শরীর ও চেহারায় আসা পরিবর্তন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। মাতৃত্বের পর ত্বকের যত্ন, নিজের পরিচর্যা এবং সৌন্দর্য সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গিতে কী পরিবর্তন এসেছে, তা জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়া’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব বিষয়ে কথা বলেন এই অভিনেত্রী।
ত্বকে এসেছে পরিবর্তন : ক্যাটরিনা জানান, গর্ভাবস্থার পর তার ত্বক আগের তুলনায় বেশি সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। ফলে কোন প্রসাধনী তার ত্বকের জন্য উপযোগী, সেটি বেছে নেওয়া কিছুটা কঠিন হয়ে পড়ে।
প্রসাধন ব্র্যান্ড ‘কে বিউটি’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ক্যাটরিনা বলেন, এ সময় তিনি এমন পণ্য ব্যবহারের দিকে বেশি মনোযোগ দেন, যা ত্বককে শান্ত রাখে এবং সতেজ করতে সাহায্য করে।
একটি ক্রিমের চূড়ান্ত পরীক্ষার সময় সেটি ব্যবহারের পর ত্বকে স্বস্তি ও সতেজতা অনুভব করেছিলেন বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষা স্তর বা ‘স্কিন ব্যারিয়ার’ ভালো রাখার ওপর গুরুত্ব দেন অভিনেত্রী।
বদলেছে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা : মডেলিং ও অভিনয়জীবনের শুরুতে সৌন্দর্য নিয়ে যে ধারণা ছিল, সময়ের সঙ্গে সেটিও বদলে গেছে বলে জানান ক্যাটরিনা।
তার কাছে এখন সুন্দর দেখানোর অর্থ শুধু বাহ্যিক সাজসজ্জা নয়। বরং ভেতর থেকে সুস্থ ও ভালো অনুভব করাকেই বেশি গুরুত্ব দেন তিনি।
সুস্থ থাকার অভ্যাস : নিজেকে ভালো রাখার জন্য বেশ কিছু অভ্যাসের কথাও জানিয়েছেন ক্যাটরিনা। সুষম খাবার খাওয়া, নিয়মিত শরীরচর্চা বা সক্রিয় থাকা এবং ধ্যানের মতো অভ্যাস তার দৈনন্দিন জীবনের অংশ।
দিনের শুরুতে প্রায় এক ঘণ্টা ফোন থেকে দূরে থাকা এবং সকালের প্রাকৃতিক আলো উপভোগ করাকেও তিনি গুরুত্ব দেন।
ক্যাটরিনার মতে, একজন মানুষ যখন ভেতর থেকে ভালো বোধ করেন, তখন সেই আত্মবিশ্বাস তার বাইরের আচরণ ও উপস্থিতিতেও প্রকাশ পায়।
ব্যক্তিগত জীবন আড়ালেই রাখেন : ২০২১ সালের ডিসেম্বরে অভিনেতা ভিকি কৌশলের সঙ্গে বিয়ে হয় ক্যাটরিনার। তারকা দম্পতি সাধারণত নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন জনসমক্ষে খুব বেশি আনেন না। তবে মাঝে মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুরাগীদের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনের কিছু মুহূর্ত ভাগ করে নেন তারা।
প্রথম সন্তানের মা হওয়ার পর ক্যাটরিনার শারীরিক পরিবর্তন নিয়েও নানা আলোচনা হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে তিনি বোঝালেন, মাতৃত্বের পর শরীরের পরিবর্তনকে স্বাভাবিকভাবেই দেখার পাশাপাশি নিজের সুস্থতা ও আত্মবিশ্বাসকে গুরুত্ব দেওয়াই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।











