,

রংপুর জেলা ও মহানগর জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের পরিচিতি সভা

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির অঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল রংপুর জেলা ও মহানগর শাখার নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা গতকাল সিও বাজারস্থ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযোদ্ধা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও রংপুর জেলার সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আনছার আলীর সভাপতিত্বে উক্ত পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা ইসতিয়াক আজিজ উলফাত।

প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা সাদেক আহমেদ খান। সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, মহানগর বিএনপির আহবায়ক সামসুজ্জামান সামু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা এমএ শহীদ বাবলু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা ওবায়দুল হক ভূঞা, বীরমুক্তিযোদ্ধা শরীফ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের, বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম খান, বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুর রহমান জাহাঙ্গীর, রংপুর মহানগর মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তারের যৌথ সঞ্চলনায় আমন্ত্রীত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম মিজু, জেলা যুবদলের সভাপতি নাজমুল আলম নাজু, বক্তব্য রাখেন, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা সদরুল আলম দুলু, বীরমুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী আতিয়ার রহমান, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের আহবায়ক শরীফ লাভলু লেবু, সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের আহবায়ক আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন, সদস্য সচিব সাফায়েত হোসেন সৌরভ প্রমুখ। এসময় রংপুর জেলা ও মহানগর জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে বীরমুক্তিযোদ্ধারা অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হয়েছে। শুধু মুক্তিযোদ্ধারা নয় দেশের সকল স্থরের মানুষ জিম্মিদশায় ছিল। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থ্যানের পর স্বৈরাচারের পতন হয়। আপনাদের মনে রাখতে হবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক। তাঁর হাতে গড়া সংগঠন হচ্ছে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল। এই দল প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধের দল। এখানে সকল রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধারা প্রাপ্য সম্মান পাচ্ছেন বা পাবেন। আওয়ামী লীগের আমলে রংপুরসহ সারাদেশে যেসব ভূঁয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈরি হয়েছে। তাদের চিহিৃত করার কাজ চলছে। ভুয়া কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। যেখানেই অনিয়ম-দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য হবে মুক্তিযোদ্ধা সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে বলে হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড