,

বেনজীরের স্ত্রী-মেয়েও হাজির হলেন না দুদকে

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের স্ত্রী ও দুই মেয়ে সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) হাজির হননি। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের আজ সকাল ১০টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য ডাকা হয়েছিল। বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে যাননি বেনজীরের স্ত্রী জিসান মির্জা, দুই মেয়ে– ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাশিন রাইসা বিনতে বেনজীর। আগের দিন রোববার বেনজীর আহমেদকে দুদকে হাজির হওয়ার জন্য ডাকা হয়েছিল। তবে তিনিও দুদকে যাননি।

বেনজীর আহমেদ রোববার দুদকে হাজির না হওয়ায় আইন অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনার কথা জানিয়েছে দুদক। সংস্থাটির সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়ে বেনজীর আহমেদের বক্তব্য প্রদানের জন্য রোববার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তিনি যথাসময়ে উপস্থিত হবেন কিনা সে বিষয়ে কমিশনকে কিছু জানাননি। আজকে (রোববার) অফিস সময়ের মধ্যে কমিশনে উপস্থিত হয়ে তিনি বক্তব্য না দিলে অনুসন্ধান টিম আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সোমবার (আজ) তাঁর স্ত্রী ও কন্যাদের উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুসন্ধানকারী টিম নোটিশ প্রদান করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারাও উপস্থিত না হলে তাদের বিষয়েও আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সচিব আরও বলেন, গত ২১ জুন বেনজীর আহমেদ কমিশনে একটি চিঠি দেন। সেই চিঠিতে তিনি, তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়ের নামে সম্পদের বিষয়ে অবস্থান বর্ণনা করেন। ওই চিঠিতে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় চাওয়া হয়নি।

জানা গেছে, বেনজীর আহমেদ ৪ মে স্বপরিবারে দেশ ত্যাগ করেছেন। এর আগে তাকে ৬ জুন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল। বিদেশে অবস্থান করায় তিনি ওইদিন দুদকে হাজিন হননি। পরে তিনি সময় চেয়ে আবেদন করলে তাকে ১৬ দিনের সময় দিয়ে রোববার ডাকা হয়েছিল।

অপরদিকে বেনজীরের স্ত্রী জিসান মির্জা, দুই মেয়ে– ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাশিন রাইসা বিনতে বেনজীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগামী সোমবার ডাকা হয়। তারাও বেনজীরের সঙ্গে গত ৪ মে দেশ ত্যাগ করেছেন। বেনজীরের পরিবারের এই তিন সদস্যকে এর আগে ৯ জুন জিজ্ঞাসাদাদের জন্য ডাকা হয়েছিল। বিদেশে থাকায় তারাও নির্ধারিত তারিখে হাজির হতে পারেননি। পরে তারা সময় চেয়ে আবেদন জানালে তাদেরকে সোমবার ডাকা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুদক বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে গত ২২ এপ্রিল। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদকের তলবী নোটিশ পাঠায় হয় গত ২৮ মে। এর আগে গত ৪ মে তিনি সপরিবারে দেশ ত্যাগ করেন। বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ নিয়ে সম্প্রতি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলে তাদের বিরুদ্ধে সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) বিস্তারিত তদন্ত করেছে। এরপরই গণমাধ্যমে তাদের অস্বাভাবিক সম্পদের খবর প্রকাশ পায়।

গত ২৩ ও ২৬ মে আদালতের আদেশে বেনজীর, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের নামে থাকা বিপুল পরিমাণ সম্পদ, ব্যাংক হিসাব, শেয়ারসহ অন্যান্য সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধ করা হয়। তাদের নামে থাকা ৮৩টি দলিলে ৬২১ বিঘা জমি, গুলশানের চারটি ফ্ল্যাট জব্দ, ৩৮টি ব্যাংক হিসাব ও তাদের মালিকানার কোম্পানি ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধের ওই আদেশ দিয়েছেন। ওই দুইদিনে বেনজীর ও তার পরিবারের পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ৩৩ কোটি টাকার বেশি সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধ করা হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না