,

রাজধানীর পাড়া-মহল্লায় বসেছে ছাগলের হাট

news-image

রাত পেরোলেই উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল-আজহা। এই ঈদে অনেকেই গরুর পাশাপাশি ছাগলও কোরবানি দিয়ে থাকেন। অনেকে বড় পশু কোরবানি না দিয়ে শুধু একটা কিংবা একাধিক ছাগল কোরবানি দেন। রাজধানীর স্থায়ী-অস্থায়ী ২০টি পশুর হাটে গরুর সঙ্গে ছাগলেরও হাট বসেছে। তবে ছাগলের এই হাট শুধু সিটি করপোরশনের নির্ধারিত হাটেই থেমে থাকেনি। অলিতে-গলিতে আর পাড়া-মহল্লায় বসেছে হাট। অনেকে আবার আট-দশটা ছাগল ফেরি করে বিক্রি করছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর মালিবাগ, মৌচাক, হাতিরঝিল, বাংলামোটর, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, আজিমপুরের বিভিন্ন এলাকা আর অলিতে গলিতে ছাগলের হাট। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ছাগল এনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। যেখান থেকে নগরবাসী কোরবানির জন্য চাহিদা অনুযায়ী ছাগল কিনে নিচ্ছেন।

মালিবাগ রেললাইনের পাশেই ১৫টি ছাগল নিয়ে বসে আছেন মানিকগঞ্জের জুনায়েদ। ঈদ উপলক্ষে শনিবার তিনি ১২৫টি ছাগল নিয়ে এসেছেন। তারা কয়েকজন মিলে মালিবাগ আর খিলগাঁওয়ের বিভিন্ন স্থানে সড়ক আর রেললাইনের পাশে বসে বিক্রি করছেন।

জুনায়েদ বলেন, ‘ঈদে ছাগলের চাহিদা অনেক। অনেকেই গরুর সাথে ছাগল আবার কেউ শুধু ছাগলই কোরবানি দেন। পাড়ায় মহল্লায় ঘুরে ঘুরে বিক্রি করছি। পছন্দ অনুযায়ী ক্রেতারা কিনছেন। ছাগল প্রতি হাটের চেয়ে কিছু বেশি লাভ হচ্ছে।’

হাতিরঝিলের বাংলামোটর প্রান্তে প্রত্যেক বছরের মতো এ বছরও বসেছে ছাগলের হাট। রাজবাড়ি থেকে মতিউর রহমান এনেছেন ৩০টি ছাগল। আজকে এসেই তিনি ২০টি ছাগল বিক্রি করেছেন। রাতের মধ্যেই বাকিগুলো বিক্রি করে বাড়িতে গিয়ে ঈদ করবেন বলে জানান তিনি।

মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোডের সরকারি আইডিয়াল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ও পাশের গলিতে জমে উঠেছে ছাগলের হাট। গত দুদিনেই এ ছোট অস্থায়ী হাটে বিক্রি হয়েছে কয়েক হাজার ছাগল। কেউ এক ডজন, কেউ দুই ডজন। আবার কেউ ট্রাকভর্তি করে কয়েক শত ছাগলও এনেছেন এই হাটে।

দিনাজপুরের ব্যাপারী আবদুল মান্নান বলেন, ‘দুদিন আগে তারা কয়েকজন মিলে ১৬৫টি ছাগল এনেছিলেন। একদিনেই বিক্রি হয়েছে শতাধিক। আর কয়েকটা ছাগল রয়েছে। সেগুলোও বিক্রি হয়ে যাবে বলে আশাবাদী তিনি। ব্যবসাও ভালো হয়েছে বলে জানান এই ব্যাপারী। বলেন, ছাগলের প্রচুর চাহিদা। দামও ভালো পেয়েছেন। লাভেই বিক্রি করেছেন। ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে তিনি ছাগল বিক্রি করছেন।

মাইনুল ইসলাম নামের এক ক্রেতা ছাগল কিনতে আসেন ধানমন্ডি থেকে। তিনি বলেন, দাম বেশি দিয়েই ছাগল কিনেছি। ব্যাপারীরা ছাড়তে চান না। প্রতি ছাগলেই তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা বেশি দাম নিচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।

বিক্রেতা নূর আলম ১৯টি ছাগল নিয়ে এসেছেন তাজমহল রোডের এই হাটে। তিনি এসেছেন রংপুরের পীরগাছা থেকে। এরই মধ্যে ১৪টা ছাগল বিক্রি করেছেন। তিনিও ছাগল বিক্রি করে খুশি। দাম পেয়েছেন মনের মতো। কোনো লোকসান নেই।

আজিমপুরেও হাট বসেছে। সেখানেও বিক্রি হচ্ছে প্রচুর। সরকারি আবাসিক কোয়ার্টারের সরকারি কর্মচারী শুভ জানান, তিনি ১৮ হাজার টাকা দিয়ে একটি ছাগল কিনেছেন এই বাজার থেকে।

মুগদা হাসপাতালের পাশের গলিতে ছাগল ব্যবসায়ী সাদিক মিয়া বলেন, তিনি এসেছেন রাজবাড়ী থেকে। সেখানে তিনি সারা বছরই ছাগলের ব্যবসা করেন। তবে প্রতি কোরবানির ঈদে তিনি ট্রাকে করে ছাগল নিয়ে আসেন। এবারও শতাধিক ছাগল নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, বিক্রি ভালো হয়। অন্যবারের তুলনায় এবার বিক্রি বেশি। ক্রেতারা মনের মতো করে দরদাম করে কিনতে পারেন। তিনিও ১২ থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে ছাগল বিক্রি করেছেন।

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না