,

স্টার কাবাবে ভিড়, গুলশান-বনানীর অন্য রেস্টুরেন্ট ‘ক্রেতা শূন্য’

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : পবিত্র রমজান মাসে নানা ধরনের মুখরোচক খাবার রোজাদারদের সামনে তুলে ধরে রেস্টুরেন্টগুলো। তেমনি রাজধানীর গুলশান-বনানী এলাকার রেস্টুরেন্টগুলো ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসেছে। তবে শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় বেশিরভাগ দোকান প্রায় ক্রেতা শূন্য। ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে শুধু বনানীর স্টার কাবাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাজধানীর গুলশান এক নম্বর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গুলশান-১ মোড়ে পূর্ণিমা রেস্টুরেন্ট ইফতারি আইটেম নিয়ে বসেছে। ডিএনসিসি মার্কেটের সামনে এবার তেমন কোনো আয়োজন দেখা যায়নি। খলিফা’স রেস্টুরেন্টও বেশ কিছু ইফতারের আইটেম নিয়ে বসেছে।

এসব রেস্টুরেন্টে রয়েছে পেঁয়াজু, বেগুনি, সবজির পাকোড়া, সমুচা, আলুর চপ, দই বড়াসহ নানা আয়োজন।

রেস্টুরেন্টের কর্মীরা জানিয়েছেন, শুরুর দুই দিন যে পরিমাণ বিক্রি হয়েছে, সে তুলনায় আজ তেমন বিক্রি হচ্ছে না। যেহেতু এটা বাণিজ্যিক এলাকা, তাই এখানে আজ বন্ধ চলছে। আশানুরূপ বিক্রি নেই।

গুলশান-২ এর কাছাকাছি অবস্থিত হান্ডির গুলশান ব্রাঞ্চেও রয়েছে ইফতারের ব্যাপক আয়োজন। ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫০ টাকা পর্যন্ত দামে সিঙ্গেল আইটেমগুলো পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া রয়েছে ইফতার-ডিনার বুফে। তবে সেখানেও তেমন ক্রেতা চোখে পড়েনি।

হান্ডি গুলশানের ম্যানেজার সাইদুল ইসলাম বলেন, আমাদের এখানে বসে খাওয়ার ও নিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। চলতি পথে যে কেউ আমাদের এখান থেকে ইফতারি আইটেমগুলো ক্রয় করতে পারবেন। যদি আমাদের এখানে কেউ বসে ইফতার করতে চান, সেই সুযোগও রয়েছে। আমাদের এখানে ইফতার কাম ডিনার করতে চাইলে খরচ পড়বে এক হাজার ২৯৯ টাকা। এ ছাড়া ইফতার বক্স সেট এক ও ইফতার বক্স সেট দুই নামে আলাদা দুটি প্যাকেজ রয়েছে। প্যাকেজগুলোর দাম যথাক্রমে ৪৫০ টাকা ও ৫৫০ টাকা।

তিনি আরও বলেন, ওয়ার্কিং ডেতে ৪টার পরই ভিড় লেগে যায়। তবে আজ বন্ধের দিন হওয়ায় মানুষজন কম।

গুলশান-২ এর দি নিউ গুলশান প্লাজা রেস্টুরেন্টেও রয়েছে ইফতার আয়োজন। বড় সাইজের একটি পাতিল দোকানের সামনে রাখা হয়েছে। আর বাকি সব আইটেম দোকানের ভেতরে রয়েছে। বড় পাতিলের শাহী হালিমের ছোট বাটির দাম ৪০০ টাকা ও সবচেয়ে বড় বাটির দাম ১ হাজার ৬০০ টাকা। এ ছাড়া সিঙ্গেল পিস হিসেবে বিভিন্ন আইটেম কেনার সুযোগ রয়েছে। ইফতারের সময় বসে ইফতার করার ব্যবস্থাও রয়েছে।

বনানীর সালাম’স কিচেনেও আছে ইফতারের আয়োজন। তবে বিকেল ৫টার দিকে সেখানে তেমন কোনো ক্রেতা দেখা যায়নি। কর্মীরা জানিয়েছেন, বন্ধের দিন হওয়ায় ক্রেতা তেমন নেই। অন্যদিন মোটামুটি বিক্রি হয়।

এ ছাড়া বনানী ১৭ নম্বর সড়কে বেশ কিছু ছোট-বড় ইফতারের দোকান রয়েছে। সেখান থেকে সাধ্য অনুযায়ী একেকজন একেক দোকান থেকে ইফতার কিনছেন।

সবশেষ বনানীর স্টার কাবাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে গিয়ে দেখা যায়, রেস্টুরেন্টের সামনের ফুটপাতের ওপর শামিয়ানা টানিয়ে ইফতারি বিক্রির আয়োজন করেছে তারা। লোকজন লাইন ধরে সেখান থেকে হালিম কিনছেন। এ ছাড়া সেখানে দই বড়া বেশি বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সেখানে প্রতিটি দই বড়া ৩৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। আর হালিমের বাটি ১০০ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না