,

যে কারণে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করল ফিফা

news-image

স্পোর্টস ডেস্ক : ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে দীর্ঘ ৩৬ বছরের অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপ জেতে আর্জেন্টিনা। তবে কাতার আসরে বিশ্বকাপ জয়ের পর লিওনেল মেসিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, বঁধাভাঙা উদ্‌যাপন করতে গিয়ে সীমা লঙ্ঘন করেছে আলবিসেলেস্তারা। সেসব খতিয়ে দেখতেই এবার তদন্ত শুরু করল ফিফা।

বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফাইনাল জয়ের পর আর্জেন্টিনা দলের ‘আক্রমণাত্মক আচরণ’–এর বিরুদ্ধে ‘শাস্তিমূলক কার্যক্রম’ শুরু করেছে। সংবাদ সংস্থা এএফপি এমন খবর প্রকাশ করেছে।

সংস্থাটি জানায়, আর্জেন্টিনা দল ‘আক্রমণাত্মক আচরণ ও ফেয়ার প্লের নীতিমালা লঙ্ঘন’ এবং ‘খেলোয়াড় ও অফিসিয়ালদের বাজে আচরণ’–সম্পর্কিত বিধিমালা ভেঙেছে বলে মনে করছে ফিফা। এ জন্য ডিসিপ্লিনারি বিধির ১১ ও ১২তম ধারা ধরে তদন্ত শুরু করেছে ফিফা।

১৯৮৬ সালের পর বিশ্বকাপ জয় বলেই হয়তো আর্জেন্টিনা দলের উদ্‌যাপন ছিল বাঁধভাঙা। এমনকি টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার (গোল্ডেন গ্লাভস) জয়ের পর সেটি হাতে নিয়ে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করেন আর্জেন্টিনা দলের গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

আর্জেন্টিনা দল ড্রেসিংরুমে ফিরে ফ্রান্সের স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপ্পেকে নিয়েও মজা করে। এছাড়া দেশে ফেরার পরও এমবাপ্পেকে খোঁচানো থামাননি মার্তিনেজ। ছাদখোলা বাসে শোভাযাত্রার সময়ও এমবাপ্পেকে নিয়ে বিদ্রূপ করেন আর্জেন্টিনা দলের এই গোলরক্ষক।

পরে ফ্রান্স ফুটবল ফেডারেশন (এফএফএফ) এমন উদ্‌যাপনের প্রতিবাদ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিল আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনে (এএফএ)। যদিও এমবাপ্পেকে খুঁচিয়ে মার্তিনেজদের উদ্‌যাপনকে ‘অস্বাভাবিক’ বলেছিল এফএফএফ। এমবাপ্পে নিজেও এতে কিছু মনে করেননি।

এদিকে শুধু আর্জেন্টিনা দলের উদ্‌যাপন নিয়ে তদন্ত নয়, এএফএর বিরুদ্ধেও তদন্ত করবে ফিফা। মেসির দেশের বোর্ডের বিরুদ্ধে মিডিয়া ও মার্কেটিং নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। ফিফা মনে করে, ফাইনালে ডিসিপ্লিনারি নীতিমালার ৪৪তম ধারা ভেঙেছে এএফএ।

ক্রোয়েশিয়া ফুটবল দলও ফিফার শাস্তিমূলক কার্যক্রমের আওতায় আছে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ শেষে লুকা মদ্রিচরা এমন গানে গলা মিলিয়েছেন, যেটিকে সম্ভাব্য ‘বৈষম্য’ ও ‘ম্যাচের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাভঙ্গ’ বিধিতে তদন্ত করা হচ্ছে। এছাড়া ইকুয়েডর, মেক্সিকো ও সার্বিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছে ফিফা।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড