শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নিয়ে কটূক্তির পর জেলে, বের হয়েই গেলেন শ্রদ্ধা জানাতে

news-image

রাজশাহী ব্যুরো : বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নিয়ে কটূক্তি করায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় এক বছর কারাবাসের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন রাজশাহীর কাটাখালি পৌরসভার বরখাস্ত হওয়া মেয়র আব্বাস আলী। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েই বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান তিনি।

এর আগে আজ দুপুরে রাজশাহী সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান তার জামিন মঞ্জুর করেন।

কারামুক্তির পর কারা ফটকে সমর্থকরা আব্বাসকে ফুলের মালা পরিয়ে অভিনন্দন জানান। এরপরই আব্বাস আলী সরাসরি যান নগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে। এরপর তিনি নগরীর কাদিরগঞ্জে জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

আব্বাস আলীর আইনজীবী পারভেজ তৌফিক জাহেদী জানান, কাটাখালীর প্রবেশমুখে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ এবং রাজশাহী সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামানের পরিবার নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা দুটি মামলায় আব্বাস আলীর জামিন হয়েছে।

এর আগে গত বছরের ১ ডিসেম্বর ভোরে রাজধানী ঢাকার কাকরাইলের হোটেল রাজমণি ঈশা খাঁ থেকে আব্বাস আলীকে আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। পরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপরই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাকে মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়। এ বিষয়ে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রণালয়। পরে তাকে মেয়রের পর থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করে মন্ত্রণালয়।

আব্বাস আলী কাটাখালীর মেয়রের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে তার বিতর্কিত বক্তব্যের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। গত বছরের ২২ নভেম্বর রাতে ১ মিনিট ৫১ সেকেন্ডের অডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তার বিরুদ্ধে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর আবদুল মমিন নগরের বোয়ালিয়া মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন।

এ ঘটনার কিছুদিন পর আব্বাস আলীর আরেকটি অডিও প্রকাশ্যে আসে। সেখানে তিনি রাজশাহী সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামানের পরিবার নিয়ে কটূক্তি করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কাটাখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন।

আব্বাস আলী কাটাখালী পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য ছিলেন। তিনি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হয়ে টানা দুই মেয়াদে মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। তবে অডিও ভাইরালের পর তাকে দল থেকেও অপসারণ করা হয়।

 

এ জাতীয় আরও খবর

গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, বিপাকে চালকরা

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করছেন

আলুর নাগেট তৈরির রেসিপি জেনে নিন

ভালোবাসা পেলাম, এবার তার যোগ্য হওয়ার পালা : ফারিয়া

অবশেষে অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক

ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ : শিক্ষা সচিবকে অপসারণ করল ভারত

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ

বাগেরহাটে খানজাহান আলী মিশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে সমবায় সমিতির উদ্যোগ