,

বিএনপি নেতাকর্মীদের বাঁশের লাঠি কেড়ে নিচ্ছে পুলিশ

news-image

ওয়াদুদ আলী,রংপুর ব্যুরো
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রংপুর-পীরগঞ্জ সড়কের হাউদারপাড় নামক স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে গণসমাবেশে যোগ দিতে আসা বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছ থেকে ব্যানার ও ফেস্টুনে লাগানো লাঠি খুলে নিতে দেখা গেছে পুলিশকে।ছবি: আমাদের সময়

বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশকে ঘিরে রংপুর মহানগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে পয়েন্টে বসেছে পুলিশের চেকপোস্ট। সেখানে রিকশা, অটোরিকশা ও ভ্যানের যাত্রীদের তল্লাশি করা হচ্ছে। চলছে জিজ্ঞাসাবাদও। রিকশা, অটোরিকশা ও ভ্যানে করে সমাবেশে যোগ দিতে আসা বিএনপি নেতাকর্মীদের হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হচ্ছে জাতীয় ও দলীয় পতাকাসহ দলের বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুন। আবার কিছু কিছু পয়েন্টে বিএনপি নেতাকর্মীদের অটোরিকশাকে পুলিশ নগরে প্রবেশে বাঁধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত নগরীর মডার্ন মোড় দিয়ে মানুষের যাতায়াত ছিল অনেকটা অবাধে। এর কিছু সময় পর মডার্ন মোড়ে ২৫ থেকে ৩০ জন পুলিশের একটি দল অবস্থান নেয়। নগরে ঢোকার পথে অটোরিকশা থেকে শুরু করে সব ধরনের যানবাহনে শুরু হয় তল্লাশি।

পৌনে ৯টার দিকে পাঁচজন যাত্রী নিয়ে একটি অটোরিকশাকে নগরে ঢুকতে দেখা যায়। তবে পুলিশি বাঁধায় অটোরিকশাটি থামিয়ে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ সদস্যরা ওই অটোরিকশার যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মহানগরের ভেতরে যেতে বাঁধা দেন। কথা বলে জানা যায়, অটোরিকশার যাত্রীরা গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।

অটোরিকশায় থাকা দুজন হলেন- সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সফিকুল ইসলাম ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রমজান আলী। সেখানে থাকা অন্য তিনজন বিএনপির কর্মী বলে পরিচয় দেন। তারা জানান, বাস বন্ধ থাকায় সকাল ৬টার দিকে অটোরিকশায় করে সাদুল্লাপুর থেকে রংপুরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

সফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‌‘মডার্ন মোড়ে আমাদের অটোরিকশাটি থামিয়ে দেয় পুলিশ। পরে বিএনপির কর্মী পরিচয় পাওয়ার পর আমাদের আর সমাবেশে যেতে দিল না। ’

তবে সকাল ৯টা ১০ মিনিটে বিরামপুর থেকে আসা প্রায় ২০০নেতাকর্মী মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে মডার্ন মোড় দিয়ে সমাবেশস্থলের দিকে যান। এ সময় পুলিশ সদস্যরা ওই বহর আটকানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। সকাল ১০টা পর্যন্ত মডার্ন মোড় এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে পুলিশের তল্লাশি শুরুর পর থেকে মর্ডান মোড়ে যান চলাচলের সংখ্যা কমে গেছে।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রংপুর-পীরগঞ্জ সড়কের হাউদারপাড় নামক স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে গণসমাবেশে যোগ দিতে আসা বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছ থেকে জাতীয় ও দলীয় পতাকাসহ দলের বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত ব্যানার এবং ফেস্টুন কেড়ে নেওয়াসহ ব্যানার ও ফেস্টুনে লাগানো লাঠি খুলে নিতে দেখা গেছে পুলিশকে।

রংপুরে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ উপলক্ষে মহানগরীর মাহিগঞ্জ, সাতমাথা, বাস টার্মিনাল, দর্শনা মোড়, মেডিকেল মোড়, সিও বাজার, পাকারমাথা, পান্ডারদিঘী, সোটাপীর মোড়, হনুমানতলাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে পয়েন্টে পুলিশের চেকপোস্ট বসেছে।

এ ব্যাপারে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নাজমুল কাদের বলেন, পুলিশ কাউকে বাধা দিচ্ছে না। তবে সন্দেহ হলে গাড়ি তল্লাশি করা হচ্ছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না