,

মোদিকে টেক্কা দিতে পারবেন খাড়গে?

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সর্বভারতীয় কংগ্রেসের নতুন সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দলটির প্রবীণ নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ও সংস্কারবাদী নেতা হিসেবে পরিচিত শশী থারুরের চেয়ে আটগুণ ভোট বেশি পেয়ে তিনি বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে দুই দশকের বেশি সময় পর দলটির শীর্ষপদ গান্ধী পরিবারের বাইরে গেল। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে- আগামী লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদির বিজেপিকে কি টেক্কা দিতে পারবেন খাড়গে। গতকাল সংবাদমাধ্যম বিবিসি এর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছে।

খাড়গে দক্ষিণ ভারতের কর্নাটকে দলিত সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ নেতা। দলিত সম্প্রদায়ের হলেও নেতা হিসেবে সর্বমহলে খাড়গের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। খাড়গের প্রতিদ্বন্দ্বী শশী থারুর গতকাল পরাজয়ের পর বলেছেন, আমি বিশ্বাস করি আজ থেকে দলের পুনরুজীবনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। খাড়গে কংগ্রেসের সংস্কার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বলেছিলেন- তিনি দলের সর্বস্তরে অন্তত ৫০ ভাগ প্রতিনিধির বয়স ৫০-এর কম রাখবেন। এর অংশ হিসেবে কংগ্রেসকে ঢেলে সাজাতে হবে তাকে। এদিকে লোকসভা নির্বাচনের আর মাত্র ১৮ মাস রয়েছে। এর মধ্যেই কাজটি করতে হবে খাড়গেকে। ভেঙে পড়া কংগ্রেসের সর্বস্তরে পরিবর্তন আনতে হবে- কাঠামোগত, সংগঠনিক এমনকি আদর্শগত সংস্কারও আনতে হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, খাড়গের কংগ্রেস যদি আগামী নির্বাচনে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চায়, তা হলে নতুন নেতাকে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে উৎরে আসতে হবে। শুরুতে তাকে যে প্রমাণ দিতে হবে তা হলো- তিনি যে গান্ধী পরিবারের একজন নন বরং দলের ওপর তার পুরো ক্ষমতা রয়েছে। কেননা খাড়গের পেছনে গান্ধী পরিবারের অনুগত হিসেবে তমকা রয়েছে। নিন্দুকরা বলতে পারে- গান্ধী পরিবারের কেউ সভাপতি হয়নি তো কী হয়েছে, তাদের অনুগত নেতাই তো হয়েছে। এ কারণে খাড়গেকে আগে এর মোকাবিলা করতে হবে।

রাজনৈতিক ভাষ্যকার কে বেনেডিক্ট বলেছেন, খাড়গে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা কমাতে ও বিভিন্ন উপদলের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে সিদ্ধহস্ত। তিনি এমন কেউ নন যে, অন্যদের সঙ্গে সংঘাতে জড়াবেন। তার পরও একজন দক্ষিণ ভারতের নেতা হিসেবে উত্তর প্রদেশ বা বিহারের মতো রাজ্যগুলোতে কতোটা প্রভাব খাটাতে পারবেন সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

সাংবাদিক পূর্ণিমা যোশী বলেছেন, জাতীয়ভাবে দলকে নতুন করে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তার গতিশীলতা নেই। তবে তিনি ভদ্র লোক, সমাজের শেকড়ের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে যুক্ত, কেউ তাকে হেয় করতে পারবে না; কিন্তু কংগ্রেস পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে দলের মধ্যে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে তা পুরণ করতে পারবেন না খাড়গে।

যোশী আরও বলেন, মোদি-অমিত শাহ জোটকে চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন- এমন সম্ভাবনা কম। কংগ্রেসের এমন একজন নেতা প্রয়োজন, যে নিজের ভাষায় কথা বলতে পারেন, এমন একজন বুদ্ধিমান নেতা প্রয়োজন, যিনি নিজের খেলায় বিজেপিকে পরাজিত করতে পারেন। সবশেষে যোশী বলেন, নতুন কংগ্রেস নেতা হয়তো বিজেপির আদর্শের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন। এ ক্ষেত্রে জনগণ হয়তো বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে নেবেন।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না