,

পাহাড় যেন এক টুকরো বাংলাদেশ

news-image

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি
পাহাড় যেন এখন এক টুকরো বাংলাদেশ। উচ্ছ্বাস আর আনন্দে ভাসছে পাহাড়ের দুই রত্ন কন্যা। বলছি, রাঙামাটির রূপনা চাকমা ও ঋতুপর্ণা চাকমার কথা। সম্প্রতি সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমার শিরোপা জয় করেন বাংলাদেশের মেয়েরা। এ সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়েছিল রাঙামাটি নানিয়ারচর উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের ভূয়ো আদামের বাসিন্দা রূপনা চাকমা। আর রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার ঘাগরা ইউনিয়নে বাসিন্দা ঋতুপর্ণা চাকমা।

বাংলাদেশের পক্ষে বিজয় বয়ে আনা এ পাহাড় কন্যাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ গোল রক্ষক ছিল রূপনা চাকমা। খবর পেয়ে সম্প্রতি দুই জয়িতার বাড়িতে যায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান। তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেয় সরকারের পক্ষ থেকে ৩ লাখ টাকা। এদিকে দেশের জন্য এমন বিজয় অর্জন করায় এ পাহাড় কন্যাদের পরিবাদের নিয়ে আনন্দ উল্লাসে ভাসছে রাঙামাটিবাসী। জেলা দুর্গম উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চলে তাদের বাড়ি হলেও ছুটে যাচ্ছে সমাজের বিভিন্ন স্তরের নারী পুরুষ। নিয়ে যাচ্ছে উপহার সামগ্রী।

রূপনা চাকমার মা কালাসোনা চাকমা জানান, পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে রূপনার বাবা মারা যায়। অতি দরিদ্রতার সাথে লড়াই করে বেড়ে উঠছে সে। তবে ছোট বেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি ছিল তার প্রচণ্ড ঝোঁক। গ্রামের হাছাছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত থাকা অবস্থায় স্কুলের পক্ষে খেলা খেলতে গিয়ে প্রিয় হয় শিক্ষকদের কাছে। পরে ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তির পর তার অদম্য শক্তি ও পরিশ্রমে আন্তর্জাতিক অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলে সুযোগ পাই।
অন্যদিকে, বুধবার বাংলাদেশ নারী খেলোয়াড়দের আগমনের সুভাস যেনো পাহাড়ে বইছে। উচ্ছ্বাসের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে পাহাড়ে। এ ব্যাপারে রাঙামাটি নানিয়ারচর উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের বাসন্তী চাকমা বলেন, আমরা সত্যি গর্বিত। পাহাড়ের এ মেয়ে খেলোয়াড়দের জন্য। এখন মনে হচ্ছে পাহাড় যেন এক টুকরো বাংলাদেশ।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমি তাদের দু’জনের বাড়িতে গিয়েছি। আমি অবাক হয়েছি। এমন একটা জায়গায় তাদের বেড়ে উঠা যেটা আসলে দুর্গম। তারপরও তারা তাদের প্রতিভার পরিচয় দিয়েছে। তাদের বাড়িতে যাওয়ার পথে একটি বাসের সেতু দেখেছি। যেটা একেবারে জরাজীর্ণ। তাই সরকারের সিদ্ধান্তে এলাকাবাসীর জন্য একটি সেতু নির্মাণ করে দেওয়া হবে। যাতে এলাকার সবাই চলাচল করতে পারে। এ ছাড়া রূপনাদের বাড়িটা একেবারে ভেঙে গেছে। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের বাড়িটা নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না