,

থমথমে তুমব্রু সীমান্ত, বেড়েছে বিজিবির টহল

news-image

ডেস্ক রিপোর্ট : বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তে মর্টারশেলের আঘাতে এক রোহিঙ্গা নিহত ও কয়েকজন আহতের পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সীমান্তের ওপারে এখনো থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। বাড়ানো হয়েছে বিজিবির টহল। শুক্রবার রাতে নিরাপদে যাওয়া দুই গ্রামের মানুষ ফিরে এসেছে স্ব-স্ব ঘরে। বিশেষ করে সীমান্ত থেকে কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীরা নিরাপদে পরীক্ষা দিতে পেরে বেশ আনন্দিত।

ঘুমধুমের তুমব্রু বাজারে কথা হয় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ আবদুল জাব্বার ও ব্যবসায়ী বদিউল আলমের সঙ্গে। তারা বলেন, শুক্রবার রাতে শূণ্যরেখায় আশ্রিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১০ নম্বর শেডের পাশের একটি অস্থায়ী দোকানে আড্ডা দিচ্ছিল ৮ থেকে ১০ জন রোহিঙ্গা। হঠাৎ রাত সাড়ে ৮টার দিকে পরপর দুটি মর্টারশেল এসে পড়ে। মর্টারশেলের একটি শূণ্যরেখায় থাকা কোনার পাড়ার তুমব্রু খাল পাড়ে পাথরে বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই নিহত হন ইকবাল। আহত হয় সাতজন।

তারা আরও বলেন, শুক্রবার রাতে গোলার আঘাতে হতাহতের পর ঘুমধুমের কোনার পাড়া ও মাঝের পাড়ার দুই গ্রামের ৬০ পরিবার নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছিল। আর হেডম্যান পাড়ার নারীদের সরিয়ে রাখা হয় বিপদমুক্তির জন্য। এভাবে তিন গ্রামের অধিকাংশ মানুষই শনিবার সকালে পরিস্থিতি শান্ত হওয়ায় নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে এসেছে।

তুমব্রু সীমান্ত থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী শিফতি, রাশেল, জাহাঙ্গির, আজিজুল হক, নায়িম, রোকেয়া বেগম, তাসলিমা আক্তার, উক্যয়ন তঞ্চংগা ও ম্যওয়ে তঞ্চংগা জানান, সীমান্তে উত্তপ্ত পরিস্থিতে কেন্দ্র পরিবর্তন করে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা দিতে পারায় তারা খুব খুশি। এ সময় শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা ফেরদৌস ও ছাত্রনেতা সাদ্দামের গাড়ির ব্যবস্থা করার জন্য তাদের ধন্যবাদ জানান।

ইউএনও সালমা ফেরদৌস বলেন, সীমান্তের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সীমান্তের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ঘুমধুম থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে নিরাপদে কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক।

ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার দিল মোহাম্মদ বলেন, অবিস্ফোরিত গোলাটি সেনাবাহিনীর একটি বিশেষজ্ঞ দল বিষ্ফোরণ ঘটিয়েছে। আর এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।

ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, ‘মিয়ানমার বাহিনী কী চায় তা বুঝতে পারছি না। তবে বিজিবি সবধরণের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত আছে। তাদের টহল বাড়ানো হয়েছে।’

এদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের সাবেক ক্রীড়া ও পাঠাগার সম্পাদক মো. আবদুর রশিদসহ একাধিক সাংবাদিক অভিযোগ করেন, ঘুমধুম ও তুমব্রুতে দায়িত্ব পালনে তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। ঘুমধুম সীমান্তে টহলরত বিজিবি সদস্যরা তুমব্রু বাজার, তুমব্রু গ্রাম, বাইশফাঁড়ি, কোনার পাড়া, মধ্যমপাড়া, হেডম্যানপাড়া, ইউনিয়ন পরিষদ ও উত্তরপাড়াসহ ঘুমধুমে সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে বিজিবি সদস্যরা বলেন, তারা ওপরের নির্দেশে এসব করছেন।

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না