,

বরফ গলেনি মোদী ও শির মাঝে

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পার্শ্ববৈঠক অথবা বা সম্মেলন কক্ষের কোনও নিভৃত কোণে গিয়ে পাঁচ মিনিটের আলোচনা তো নয়ই। এমনকি, ক্যামেরার সামনে করমর্দন অথবা মৌখিক সৌজন্য বিনিময় করতেও দেখা গেল না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-কে। শুক্রবার সকালে এসসিও মঞ্চে নেতারা যখন গ্রুপ ছবি তুললেন, তখনই শুধু পাশাপাশি দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে মোদী ও শি-কে। কিন্তু কেউ কারও দিকে তাকাননি পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবারই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, সীমান্ত থেকে সেনা সরানো নিয়ে শি-এর কাছে কোনও প্রতিশ্রুতি না পাওয়া গেলে, তার সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক এড়িয়ে যাবেন মোদী। মোদীর কূটনীতিতে একটি বড় অংশ জুড়ে থেকেছে শরীরিভাষা বা বডি ল্যাংগুয়েজের ভূমিকা। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসার পর আলিঙ্গনকে রীতিমতো কূটনৈতিক দস্তুর বানিয়েছেন তিনি। বিদেশী রাষ্ট্র নেতাদের সঙ্গে (অবশ্যই সবার সঙ্গে নয়) দীর্ঘ করমর্দনেও তিনি অভ্যস্ত। কিন্তু শুক্রবার চোখে পড়ার মতো শীতলতা দেখালেন মোদী।

অথচ ২০১৪ সালে দিল্লির ক্ষমতায় বসার পর এই শি জিনপিং-এর সঙ্গে মোদীর চূড়ান্ত ঘনিষ্ঠতা দেখা গিয়েছে বারবার। সে সাবরমতীর দোলনা হোক কি উহানের নয়নাভিরাম নিসর্গ কিংবা ঐতিহাসিক মমল্লপুরমের নৌকাবিহার। এসসিও-র এবারের শীর্ষ সম্মেলনের তারিখ এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে লাদাখের গোগরা ও হট স্প্রিং (পেট্রোলিং পয়েন্ট-১৫) থেকে সেনা পিছিয়ে নিতে চীন রাজি হওয়ার পর মোদী-শি বৈঠকের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, চীনের পক্ষ থেকে ভারতের উপর এই নিয়ে চাপও ছিল। কিন্তু শুধুমাত্র এই কূটনৈতিক চুষিকাঠি ভারতের জন্য যে যথেষ্ট নয়, এমনটাই মনে করেছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। বিরোধী দলগুলো, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, নাগরিক সমাজের একটি অংশ, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ- সর্বস্তরে চীন-প্রশ্নে চাপ তৈরি হয়েছে মোদী সরকারের উপর। এখনও ডেপসাং চকের একাধিক পয়েন্টে চিনা সেনা ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ। বলা হচ্ছে, চীনের দখলে রয়েছে ভারতের ১০০০ বর্গ কিলোমিটার জমি। সামনে একাধিক রাজ্যে নির্বাচনের মুখে দাঁড়ানো মোদীর পক্ষে জনমতের বিরুদ্ধে গিয়ে শি-ঘনিষ্ঠতার বার্তা প্রচার সম্ভব ছিল না বলেই মনে করা হচ্ছে।

নয়াদিল্লির তরফ থেকে কূটনৈতিক চ্যানেলে বেইজিং-কে বলা হয়েছিল, এলএসি থেকে সেনা সরানো নিয়ে যদি সার্বিক কোনও পদক্ষেপ চীন ঘোষণা করে তবেই মোদীর পক্ষে চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনায় বসা সম্ভব। শুক্রবারের পর স্পষ্ট, নরম হয়নি বেইজিং। কূটনৈতিক শিবিরে এ কথাও জানানো হচ্ছে, আগে স্থির ছিল, মোদী বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যেই সমরখন্দে পৌঁছে যাবেন। নৈশাহার এবং আরও কিছু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল রাষ্ট্রনেতাদের একসঙ্গে নিয়ে। সেই নৈশাহার যাতে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হয়, তাই গতকাল বেশি রাতে বিমান ধরেছেন মোদী। ভারত চায়নি শি-মোদীর মুখোমুখি হওয়ার পরিসর তৈরি হোক।

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না