,

প্রধানমন্ত্রী সুস্পষ্টভাবে বলেননি তিনি কী নিয়ে এসেছেন: ফখরুল

news-image

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভারত সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী কিছু নিয়ে আসতে পারেননি। সবাই আশা করেছিলাম তিনি সেখানে আমাদের প্রধান যে সমস্যা তিস্তার পানি, অভিন্ন নদীর পানিবণ্টনে যে সমস্যা, সীমান্তে হত্যার যে সমস্যা-এ বিষয়গুলি নিয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। বরং দেখেছি তিনি প্রেস কনফারেন্সে সুস্পষ্টভাবে বলেননি তিনি কী নিয়ে এসেছেন ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশের মানুষের জন্য।

মির্জা ফখরুল বুধবার বিকেলে পৌর শহরের কালিবাড়ির নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এসব বলেন।

নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে মানি না, তাহলে রোডম্যাপ দিয়ে কী হবে? সারা দেশে আমরা কর্মসূচী দিয়েছি। ঢাকা মহানগরে জোনভিত্তিক শুরু হয়েছে। পরে দেশব্যাপী হবে। এখনকার নির্বাচন সম্পর্কে কোনো বক্তব্য নেই, যতক্ষণ না নির্বাচনকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত না হয়। আসন্ন নির্বাচনের ব্যাপারে কে প্রার্থী দিল, কে প্রার্থী দিল না সে ব্যাপারে আমাদের কিছু বলার নাই। তবে যুগপৎ আন্দোলনের কথা বলেছি।

বিএনপির বর্তমানে কোনো নেতা নেই আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, উনি যদি এ কথা বলে থাকেন তাহলে তা তার অভিজ্ঞতা থেকে নয়। বিএনপির নেতা আছে বলেই তো তারা বিএনপিকে এত ভয় পাচ্ছে। নেতা আছে বলেই তো আজকে বিএনপি উঠে দাঁড়াচ্ছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সু-সংগঠিত। বিএনপি এখন উঠে দাঁড়িয়েছে। আন্দোলন করছে এবং আগামীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে যে আন্দোলন হবে বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বেই সেই আন্দোলন সফল করবে। আমরা আগেই বলেছি, আমাদের নেতা হচ্ছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার অবর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বেই চলবে বিএনপি।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী দল, সন্ত্রাস করেই তারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়।

জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, এ সরকার আসার পর থেকে তারা নির্বাচন ব্যবস্থাটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। কোনো নির্বাচনে তারা তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দেখতে চায় না। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী যদি থাকেই তাকে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে কী করে পরাজয় করিয়ে টিকে থাকা যায় সে চেষ্টা করে। আরেকটি জিনিস যুক্ত হয়েছে। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিই থাকছে না, বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় তারা নির্বাচিত হচ্ছে। আমরা আমাদের বক্তব্যে পরিষ্কারভাবে বলেছি, বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। এ সরকারের অধীনে আমরা কোন নির্বাচনে যাচ্ছি না। নির্বাচনকালীন একটি নিরপেক্ষ তথা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া দেশের মানুষ কোনো নির্বাচনে যাবে না। কারণ তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে না।

মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈমুর রহমান, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর করিম, মমিনুল হক বাবু, ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনসারুল হক, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. জাফরুল্লাহ, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রাশেদ আলম লাবুসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না