,

ওবায়দুল কাদেরকে স্যার বলেছিলাম, যা ঠিক হয়নি: সিইসি

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে ‘স্যার’ বলা ঠিক হয়নি বলে জানালেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সঙ্গে সংলাপে এ কথা বলেন বলেন সিইসি।

এর আগে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গত ১৮ জুন ছিল আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপ। ওই সংলাপ চলাকাললে ওবায়দুল কাদেরকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করেন সিইসি। এটা নিয়ে সে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।

ওবায়দুল কাদেরকে ‘স্যার’ বলায় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের প্রসঙ্গ টেনে সিইসি বলেন, ‘আমাদের কমিশনারও কিন্তু কোনো মন্ত্রীকে রিসিভ করেন না। যেহেতু উনার (ওবায়দুল কাদের) সঙ্গে আমার আগেই পরিচয় ছিল। পূর্বপরিচিত থাকায় উনাকে আমি স্যার সম্বোধন করেছিলাম। এটার জন্যও আমাকে সমালোচনার শিকার হতে হয়েছে। যেহেতু এর আগে সবসময় স্যার বলেছি, তারই ধারাবাহিকতায় বলেছিলাম। তবে, দেখলাম এটাও বলা যাবে না।’

সংলাপে নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। এর জবাবে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘শুধু নির্বাচন ব্যবস্থা নয়, রাজনীতিসহ অনেক কিছু পচে গেছে। আমাকে অস্ট্রেলিয়া বা বিলেতের নির্বাচন কমিশনার করে দেন কত সহজেই ভোট করে দেবো। এখানে নির্বাচন করা কঠিন কাজ। রাজনীতিতে অর্থশক্তি আছে- সেটাকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করব।’

সিইসি বলেন, ‘আমার আজকে যে অবস্থা এ অবস্থায় যদি বিদায় হতে পারতাম ভালো লাগতো। কালকে পেপারে সব জিনিসগুলোকে লেখা হবে। আমি মাইন্ড করি না। আমি মিডিয়ার স্বাধীনতা বিশ্বাস করি। রোববার ববি হাজ্জাজের নেতৃত্বাধীন দল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) সঙ্গে সংলাপে বসে ইসি। সেখানে হাসিরছলে অস্ত্রের কথা বললেন ববি হাজ্জাজ। তখন আমি বললাম কেউ অস্ত্র নিয়ে দাঁড়ালে আপনারাও তলোয়ার নিয়ে দাঁড়াবেন। এটা কী কখনো মিন করা হয়?’

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের এতটুকু জ্ঞান নেই? এখন এসব কথা কী অন্তর থেকে বলা হয়েছে নাকি কৌতুক করে বলা হয়েছে, এগুলো বুঝতে হবে। আজ পেপারে দেখা গেলো এটা প্রধান খবর। একটা লোককে নামিয়ে দেওয়া, এরপর তো আর মনোবল থাকে না কাজ করার।’

নিজেকে নিয়ে প্রচুর সমালোচনা হচ্ছে জানিয়ে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আজ আমার ইউটিউব বন্ধ করে দিয়েছি। যখনই আমার ছবি দেখি, বুঝতে পারি যে বাপ-দাদাসহ গালিগালাজ শুরু হবে। তখন আর দেখি না। প্রতিনিয়তই এমনভাবে বলা হচ্ছে যে, কোমড় ভেঙে গেছে। আমরা কিন্তু মিডিয়াকে সাপোর্ট দিই, মিডিয়াকে বিশ্বাস করি।’

তিনি বললেন, ‘কুমিল্লা সিটি নির্বাচন মিডিয়ায় খবর ছাপা হলো আমরা নাকি এমপি বাহারকে বের করতে পারিনি। আমরা তখন বললাম আমরা বাহার সাহেবকে বিনীতভাবে অনুরোধ করেছি। এটা কোনো বেআইনি অনুরোধ হয়নি। উনি আমাদের অনুরোধ রক্ষা করতেও পারেন আবার নাও পারেন। কিন্তু উনাকে জোড় করে এলাকা থেকে বের করে দেওয়ার এখতিয়ার আমাদের আইনে নেই।’

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না