,

মেঘনার জোয়ারে লক্ষ্মীপুরের ২০ গ্রাম প্লাবিত

news-image

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : মেঘনার জোয়ারে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লক্ষ্মীপুরের ৩ উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। হঠাৎ পানিতে ভোগান্তিতে পড়েছেন প্লাবিত গ্রামগুলোর বাসিন্দারা। জোয়ারের পানি কয়েক ঘণ্টা থাকার পর তা নেমে গেলেও স্থানীয় লোকজন দুর্ভোগের মধ্যে পড়ে।

তীর সংলগ্ন ফসলি জমিও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া নদীতে জোয়ারের তোড়ে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে।

সোমবার দুপুরে কমলনগর উপজেলার চরলরে, কালকিনি, চরমার্টিন এবং মতিরহাট এলাকায় গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। স্বাভাবিক জোয়ারের তুলনায় ৩ থেকে ৪ ফুট পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, মেঘনার তীরবর্তী এলাকায় বেড়িবাঁধ না থাকায় জোয়ারের অতিরিক্ত পানি খুব সহজে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এতে নদী ভাঙনসহ উপক‚লীয় বাসিন্দাদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

তারা জানায়, সদরের চর আলী হাসান, চররমনীমোহন, কমলনগরের কালকিনি, সাহেবেরহাট, পাটারীর হাট, চর ফলকন, চর মার্টিন, চর লরে ইউনিয়ন এবং রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার, বড়খেরী, চরগাজী, চর আবদুল্লাহ ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রামে জোয়ারের পানি উঠে পড়ে।

এখানকার বাসিন্দা জানান, পূর্ণিমার প্রভাবে জোয়ারের পানি ৪ দিন ধরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দুপুরের দিকে পানি উঠতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পানি ঘরের ভেতর ঢুকে যায়। তবে বৃহস্পতিবার-শুক্রবার ও আজ সোমবার পানির পরিমাণ বেড়েছে। এতে নদীর তীর সংলগ্ন বসত বাড়িতে পানিতে উঠে গেছে।

আকলিমা আক্তার নামে এক গৃহিনী জানান, জোয়ারের পানিতে তাদের রান্নার চুলো তলিয়ে গেছে। এতে রান্না করতে সমস্যা হয়েছে তাদের। প্রতিনিয়ত তারা এমন পরিস্থিতির স্বীকার হচ্ছেন বলে জানান। এছাড়া গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়ার কথা জানান নদীর তীরবর্তী বাসিন্দারা।

কমলনগরের চর কালকিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফ উল্যা বলেন, জোয়ারের পানি নামার সময় উপকূলে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়। এতে অনেকের বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও রাস্তাঘাট নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম শান্তুনু চৌধুরী বলেন, উপজেলার একাধিক এলাকায় মেঘনায় জোয়ারের পানি ঢুকে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।

লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক আহম্মেদ জানান, পূর্ণিমার প্রভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের সময় সব নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে জেলার তিন উপজেলার বেশকিছু এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। উপকূলবাসীর এই সমস্যাটি দীর্ঘদিনের। এছাড়া ভাঙ্গনরোধে নদী তীর রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না