,

ঈদের আগে স্থিতিশীয় রয়েছে বাজার

news-image

নিউজ ডেস্ক : পবিত্র ঈদুল আজহা-এর বাকি আর মাত্র একদিন তার ওপরে রয়েছে শুক্রবারের ছুটির আমেজ। ধারণা করা হয়েছিলো ঈদের আগে বাজারে বেড়ে যাবে দাম। তবে এমন কিছু হয়নি, স্বাভাবিক রয়েছে ঈদের বাজার।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজি, মাছ ও মাংসের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। এছাড়াও কমেছে রসুনের দাম, অপরিবর্তিত রয়েছে পেঁয়াজের দাম।

ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা কেজি। পেঁয়াজের মতো দাম অপরিবর্তিত রয়েছে আলুর। গত সপ্তাহের মতো আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা।

দেশি রসুন কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিলো ৮০ থেকে ১০০ টাকা। আর আমদানি করা রসুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিলো ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা।

শুক্রবার সকালে উত্তর বাড্ডা কাঁচাবাজারে বাজার করতে আসা ইসহাক হোসেন বলেন, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম ঠিকঠাক রয়েছে। কোনোকিছুর দামই খুব একটা বাড়েনি।

দাম নিয়ে রসুন ব্যবসায়ী শরীফ খান বলেন, পাইকারি বাজারে রসুনের দাম কমেছে। এতে আমরাও কম দামে রসুন বিক্রি করতে পারছি।

অন্যদিকে ঈদের আগে সকাল থেকেই মাংসের বাজারে ভিড় লক্ষ করা গেছে। বিশেষ করে মুরগির মাংসের বাজারে ক্রেতাদের ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মতো। ব্যবসায়ীরা বয়লার মুরগি কেজি বিক্রি করছেন ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা। অর্থাৎ, সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

মুরগির মাংসের পাশাপাশি গরুর মাংসের দোকানেও ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। মাংস কিনতে আসা মাসুম বিল্লাহ বলেন, আমরা মূলত গ্রামে কোরবানি দেই। এবার গ্রামে যাওয়া হচ্ছে না। তাই বাচ্চাদের জন্য বাজার থেকে গরুর মাংস কিনে নিয়ে যাচ্ছি।

এদিকে বাজারে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে গরু মাংস। পুরান ঢাকা এলাকার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি খাসির মাংস ৮৫০-৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা গত সপ্তাহের মতো সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন গাজর। এক কেজি গাজর বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা। পাকা টমেটোর কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে এ দুটি সবজির দামে পরিবর্তন আসেনি।

গাজর ও টমেটোর মতো অপরিবর্তিত রয়েছে বরবটি ও বেগুনের দাম। বরবটির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। বেগুনের কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এ ছাড়া করলাও গত সপ্তাহের মতো বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে।

তবে কাঁকরোলের দাম কিছুটা কমে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০ থেকে ৮০ টাকা। দাম কমার এ তালিকায় রয়েছে কচুর লতি। কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

তবে কাঁচা পেঁপে গত সপ্তাহের মতোই ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পটোল, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙে, চিচিঙ্গার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। কাঁচকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে এ সবজিগুলোর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা। তেলাপিয়া, পাঙাশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা। শিং মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৬০ টাকা। শোল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। এছাড়া কই মাছের কেজি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা আর পাবদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে এসব মাছের দামে পরিবর্তন আসেনি।

দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ইলিশেরও। এক কেজি ওজনের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০০ থেকে ১৬০০ টাকা। ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি আর ৪০০-৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা।

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না