,

নিষেধাজ্ঞার আগের দিনে মাওয়ায় মোটরসাইকেলের ঢল

news-image

জেলা প্রতিনিধি : হস্পতিবার (৭ জুলাই) থেকে সাতদিনের জন্য মহাসড়কে মোটরসাইকের চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। নিষেধাজ্ঞার আগে আজ শেষদিনে ঈদকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলামুখী মোটরসাইকেল আরোহীদের ঢল দেখা গেছে মাওয়া টোলপ্লাজার অভিমুখের সড়কে। সেতুতে নিষেধাজ্ঞার পর মোটরসাইকেলের উপস্থিতি অনেকটাই কমে গেলেও আজ দিনভর তা কয়েকগুণ বেশি দেখা যায়।

মোটরসাইকেল নিয়ে আরোহীরা সেতুতে ওঠার চেষ্টা করলেও তাদের টোলপ্লাজার অভিমুখ থেকে বিকল্প পথে যাওয়ার জন্য ফিরিয়ে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে পিকআপ ও ট্রাকে পণ্য হিসেবে দিনভর মোটরসাইকেল পারপারের চিত্র দেখা গেছে।

এদিকে আজও দিনভর শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি নৌরুটে চলেনি কোনো ফেরি। এতে বাড়তি খরচ ও ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন মোটরসাইকেল আরোহীরা।

মাওয়া টোলপ্লাজা সংলগ্ন মাঠে ও সামনে সড়কে দেখা যায় সারি সারি মোটরসাইকেল। অনেকে পরিবারসহ এসেছেন। ছোট পিকআপে ৫-৬টি আর বড় ট্রাকে ১০-১৫টি করে মোটরসাইকেল উঠানো হয়। আরোহীরা নিজেরাই ধরাধরি করে এসব যানবাহনে মোটরসাইকেল উঠাচ্ছেন। এরপর ত্রিপল দিয়ে ঢেকে নিয়ে যাচ্ছেন টোলপ্লাজায়। সেতু পারাপারে প্রতি মোটরসাইকেল বাবদ এক থেকে দেড় হাজার করে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।

পিকআপে মোটরসাইকেলসহ পদ্মা সেতু পার হচ্ছিলেন মিতা আক্তার। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা মধ্যবিত্ত। চার চাকার গাড়ি কেনার সামর্থ্য নেই। যাবো খুলনা। ঢাকায় গাড়ির টিকিট নিয়ে তো যুদ্ধ চলে। মোটরসাইকেল রেখে যাবো? চুরি হয়ে যেতে পারে। তাই মোটরসাইকেলে যাচ্ছি। এখন তো যেতে দিচ্ছে না তাই পিকআপে যাচ্ছি। তবে বেশি ভাড়া লাগছে।’

ট্রাকে করে মোটরসাইকেল নিয়ে সেতু পার হওয়া ইয়াসির হোসাইন বলেন, ‘আমাদের বাড়ি শরীয়তপুর। পদ্মা সেতু প্রকল্পে আমাদের জায়গাও গেছে। এখন ফেরি নেই, আবার সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ। তাই বাধ্য হয়ে ট্রাকে মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছি।’

ঢাকা থেকে বরিশাল যাচ্ছিলেন মো. মিজবাউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘কাল থেকে মহাসড়কেও মোটরসাইকেল চলতে পারবে না। তাই আজই বাসায় চলে যাচ্ছি। তবে নিষেধাজ্ঞার কারণে আমাদের মোটরসাইকেল নিয়ে সেতুতে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। ফেরিঘাটে দুই ঘণ্টা বসে থেকেও ফেরি পাইনি। আমরা কি বাড়িতে যাবো না? আমরা কি ঈদ করবো না?’

আকিব হোসেন বলেন, ‘ঢাকায় যে মোটরসাইকেল রেখে যাবো, রাখারও জায়গা নেই। গ্যারেজ থেকে কি না কী হয়। আমরা তো উভয় সংকটে আছি। কাল থেকে সব বন্ধ তাই আজ অনেকেই চলে যাচ্ছেন।’

পদ্মা সেতু উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসাইন বলেন, দিনভর নির্বিঘ্নেই যাত্রী-যানবাহন পারাপার হয়েছে। অনেক মোটরসাইকেল এসেছে, তাদের বিকল্প পথে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। ট্রাকে করে মোটরসাইকেল ও যাত্রী পারাপার করায় তিনটি ট্রাক ও চালককে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মো. ওয়ালিদ জানান, সরকারের নিষেধাজ্ঞার পরও অনেকে বিপজ্জনকভাবে মোটরসাইকেল পারাপার করছিলেন। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি দেখা দেয়। তাই নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না