,

শিগগিরই সিরিয়ায় হামলা চালাবে তুরস্ক

news-image

অনলাইন ডেস্ক : ইউক্রেনে অব্যাহত রয়েছে রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযান। এর মধ্যেই এবার সিরিয়ায় সামরিক অভিযান চালাতে যাচ্ছে ইউরো-এশিয়ার দেশ তুরস্ক। শিগগিরই এ অভিযান শুরু হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। আজ শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুরস্ক সমর্থিত সিরীয় সশস্ত্র বাহিনী অর্থাৎ সিরিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এসএনএ) জানিয়েছে, খুব শিগগিরই এ অভিযান শুরু হতে পারে। তাদের সেনারা লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

গত বৃহস্পতিবার সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় আলেপ্পো প্রদেশের আজাজ শহরে নিজেদের যুদ্ধপ্রস্তুতি জানান দিতে রাস্তায় রাস্তায় টহল দেয় এসএনএর যোদ্ধারা। এদিন এসএনএ’র বিশেষ বাহিনী থার্ড কর্পস’র কমান্ডার জেনারেল আবদুল সালাম হামিদি ওই টহলের নেতৃত্ব দেন। যদিও এসএনএ ফ্রি সিরিয়ান আর্মি নামেও (এফএসএ) পরিচিত। তারা আসাদ সরকারের বিরোধী। বেশিরভাগই তুর্কি সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে কাজ করে।

বেশ কিছুদিন ধরেই সম্ভাব্য এ অভিযানের ব্যাপারে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। তবে গত বুধবার রাজধানী আঙ্কারায় এক বক্তৃতায় তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেন, উত্তর সিরিয়ায় নতুন তুর্কি সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ অভিযানের লক্ষ্য সীমান্ত এলাকায় একটি ‘বাফার জোন’ প্রতিষ্ঠা করা। অভিযান শুরুর নির্দিষ্ট তারিখ না জানালেও এরদোয়ান বলেন, কোনো এক রাতে হুট করে আমরা তাদের ওপর আক্রমণ করব।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন করে সামরিক অভিযান চালিয়ে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলের তাল রিফাত, কোবানি, আইন ইসা ও মানবিজ শহর দখল করার পরিকল্পনা করছে তুরস্ক। বর্তমানে অঞ্চলটি কুর্দিদের সংগঠন পিপলস প্রটেকশন ইউনিটের (ওয়াইপিজি) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) বর্ধিতাংশ ওয়াইপিজিকে সন্ত্রাসী সংগঠন মনে করে তুরস্ক।

বর্তমানে সিরিয়ার ওই অঞ্চলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সিরীয় কুর্দি যোদ্ধা এবং তুরস্কের সেনাবাহিনী ও তুর্কি সমর্থিত সিরীয় সশস্ত্র বাহিনী মধ্যে প্রতিদিন গুলি বিনিময় হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রতিবেশী সিরিয়ায় নিজের লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য এরদোয়ান ইউক্রেন যুদ্ধের সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন। এমনকি তিনি ন্যাটো সদস্য হিসেবে জোটে ফিনল্যান্ড ও সুইডেনকে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করছেন।

গত মাসেই প্রথম সিরিয়ায় অভিযানের পরিকল্পনার কথা জানান তুর্কি প্রেসিডেন্ট। এ সামরিক পরিকল্পনার লক্ষ্য তুর্কি সীমান্তের সিরিয়ার অভ্যন্তরে ৩০ কিলোমিটার বাফার জোন তৈরি করা। ২০১৯ সালে এ জোন তৈরি করতে চেয়েছিলেন এরদোয়ান। সেই লক্ষ্যে সামরিক অভিযানও শুরু করেন। কিন্তু ওই অভিযানে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয় তুর্কি বাহিনী।

২০১৬ সাল থেকে সিরিয়ার অভ্যন্তরে তিনটি বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে তুরস্ক। এসব সামরিক অভিযানে সিরিয়ার বেশ কিছু ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তুরস্ক। এর মধ্যে রয়েছে আফরিন, তাল আবিয়াদ ও জারাব্লুস। ওই এলাকায় কয়েক হাজার বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে আঙ্কারার। এর মাধ্যমে তুরস্কে অবস্থানরত ৩৭ লাখ শরণার্থীর মধ্যে ১০ লাখ স্বেচ্ছায় এসব এলাকায় ফিরে আসবেন।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না