,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাগানে গাছের থোকায় থোকায় ঝুলছে লিচু

news-image
তৌহিদুর রহমান নিটল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চলতি মৌসুমে লিচুর আশানুরুপ ফলন আশা করছে চাষিরা। পাটনাই, বোম্বে, চায়না থ্রি এবং দেশীয় জাতের লিচুর আবাদ করা হয়েছে এখানকার বাগানগুলোতে। প্রতিটি বাগানেই রসালো ও সুমিষ্ট লিচু নজড় কাড়ছে সবার। জেলার সীমান্তবর্তী বিজয়নগর সবচেয়ে বেশি লিচুর বাগান রয়েছে। এছাড়া আখাউড়া ও কসবাসহ এই তিন উপজেলায় এবছর ৪৫৫ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ করা হয়েছে। ফলন ভাল হওয়ায় চাষিরা লাভবান হবে বলে আশাবাদী।
জেলা কৃষিবিভাগ জানিয়েছে, জেলায় ২০০১ সাল থেকে বাণিজ্যভাবে লিচুর আবাদ শুরু হলেও প্রতিবছরই বাড়ছে আবাদের পরিমাণ। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। ছোট বড় মিলিয়ে জেলায় ৪২০টির মত বাগান রয়েছে।
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, সপ্তাহ দুয়েক মর্ধ্যে লিচু গাছে পরিপূর্ণ হবে। এরই মর্ধ্যে কিছু বাগানে লিচু আংশিক বেচাঁকেনা শুরু হয়েছে। জেলাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এখানকার লিচু কিনতে বাগানগুলোতে ভিড় করছে। প্রতিটি গাছের থোকায় থোকায় ঝুলে আছে বিভিন্ন জাতের রসালো লিচু। ফলন বুঝে গাছের প্রতিটি থোকায় ১২/ ১৫ টি করে লিচু এসেছে। মধুমাস জ্যৈষ্ঠের আগমনে লিচুগুলো রসালো তো বটেই সুমিষ্ট ও মাংসাল হয়েছে।
বাগান মালিক আলী হোসেন জানান, ফলন ভাল হওয়ায় কিছু বাগানে আগাম লিচু পাড়ছেন বাগান মালিকরা । আমাদের আরো ১২/১৫ দিন সময় লাগবে। আমার বাগানে প্রায় ১২০টি উপরে লিচুগাছ রয়েছে। এ বছর লিচু উৎপাদনে আমার এক লাখ টাকা খরচ হয়েছে। তবে ফলন মোটামুটি ভাল হয়েছে। বাজার দর হিসেবে এবার বাগানের লিচু আড়াই থেকে তিনলাখ টাকার মত বিক্রি হবে।  এতে আমি লাভবান হব বলে আশাবাদী।
আরেক বাগানে মালিক ইদ্রিস মিয়া বলেন, আমরা এবছর লিচুর ভাল ফলন নিয়ে আশাবাদী। আমাদের বাগানের রসালো এই লিচু কিনতে ক্রেতাদের ভিড় জমছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ক্রেতারা আগাম এই লিচু ক্রয় করতে আসছেন। ফলন আসার আগ থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিটি গাছে নিয়মিত পরিচর্যা করতে হয়েছে।  লোকবল দিয়ে নিয়মিত দেখভাল করে আসছি। তবে এবছর শ্রমিকের বেতন অনেক বেড়ে যাওয়ায় বাগানের পরিচর্যার খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে। তবে ফলন ভাল হওয়ায় যদি কোন ধরনের দূর্যোগে না পড়ি তাহলে লাভ খারাপ হবেনা।
জেলা কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলেন, নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছি। ফল ধরার সময় গাছে যাতে পোকামাকড় আক্রমণ না করতে পারে সময়ে সময়ে আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিয়মিত বাগানগুলো পরিদর্শন করেছে এবং চাষীদের পরামর্শ দিয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফলন ভাল হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড