,

মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যাকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান রাবাব ফাতিমার

news-image

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশে হওয়া গণহত্যাকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। আজ শনিবার যুক্তরাষ্ট্রে ‘জাতীয় গণহত্যা দিবস-২০২২’ পালনের অংশ হিসেবে এক ভার্চুয়াল সেমিনারে যুক্ত হয়ে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে সংঘটিত ১৯৭১ সালের গণহত্যার ঘটনা ভালোভাবেই নথিভুক্ত করা আছে, তবুও এখন পর্যন্ত জাতিসংঘে স্বীকৃতি লাভ করেনি। গণহত্যা প্রতিরোধে জাতিসংঘের পদক্ষেপসমূহ অসম্পূর্ণই থেকে যাবে যদি আমাদের দেশে সংঘটিত গণহত্যার মতো ঘটনাগুলো অস্বীকৃত থেকে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘১৯৭১ সালের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য আমরা জাতিসংঘের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। এই গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

সেমিনারটির মূল বক্তা ছিলেন কর্নেল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর জন হাবেল ওয়েইস। এতে আরও ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সোভেন আলকালাজ, কম্বোডিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সোভানকি এবং প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বাউল।

সেমিনারের কী-নোট স্পিকার প্রফেসর ওয়েইস বিশ্বে সংঘটিত বিভিন্ন গণহত্যা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কর্তৃক গণহত্যার স্বীকৃতি দেওয়ার আইনি ও ঐতিহাসিক দিকগুলো বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেন। ১৯৭১ এর গণহত্যার স্মৃতি ও ইতিহাস সংরক্ষণে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসাও করেন তিনি।

আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল এনদেরিতু বলেন, ‘গণহত্যা এবং নৃশংসতার অপরাধগুলো সবচেয়ে ভয়ংকর ও বাংলাদেশ তার নিজের ইতিহাস থেকে এই গুরুতর লঙ্ঘনের স্থায়ী ক্ষতগুলো সম্পর্কে জানে।’

এ সময় কম্বোডিয়ার রাষ্ট্রদূত ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে হলোকাস্টের পরে বিশ্বের ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তম গণহত্যা বলে অভিহিত করেন। এ বিষয়ে কম্বোডিয়ার অভিজ্ঞতা বিশেষ করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণহত্যার শিকার ব্যক্তিবর্গের পরিবারের কষ্ট লাঘবে গৃহীত পদক্ষেপের কথাও উঠে আসে।

বসনিয়া হার্জেগোভিনার রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে স্রেব্রেনিকায় সংঘটিত গণহত্যা প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতার বিষয়ে আলোকপাত করে প্রাথমিক সতর্কতা চিহ্নগুলি শনাক্ত এবং সমাধান করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটিবিডি)-এর প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বাউল সম্পূরক নীতির আওতায় গণহত্যা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিচার সংক্রান্ত উত্তম অনুশীলনগুলোর কথা তুলে ধরে জাতীয় ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড