,

ইউক্রেনের বন্দরে বাংলাদেশি জাহাজ, আতঙ্কে নাবিকরা

news-image

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দর এলাকায় নোঙর করে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, বিএসসির এমভি বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজ। পরদিন ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোর থেকে দেশটিতে রাশিয়ার সর্বাত্মক আগ্রাসন শুরু হয়, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। ফলে গত ৫ দিন ধরে বোমার আতঙ্কে দিনরাত কাটছে জাহাজটির ১৯ নাবিকের।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সেখানকার একজন নাবিক জানিয়েছেন, রাতে নোঙর করার পর ভোর ১০টার দিকে বিকট শব্দে জাহাজটি কেঁপে ওঠে। হঠাৎ এমন শব্দে আতঙ্কে কেবিন থেকে নেভিগেশন ব্রিজে ছুটে আসেন নাবিকেরা। পরে জানতে পারেন যে, রাশিয়ার বোমার আঘাতে এ ঘটনা ঘটেছে।

নাবিকেরা জানান, মস্কো-কিয়েভ সংঘাতের কারণে গত ৫ দিন ধরে অলভিয়া বন্দরে আটকে আছে বাংলাদেশি জাহাজটি। এখন পর্যন্ত সেটি এবং নাবিকেরা নিরাপদে থাকলেও যুদ্ধের অজানা শঙ্কা বিরাজ করছে। কখন কী হয়, সেই আতঙ্কে সময় যেন কাটছেই না তাদের, এভাবে কত দিন থাকতে হবে, তাও জানা নেই কারো।

জানা গেছে, খাবারের সংকট এড়াতে নিয়মিত মেনু থেকে এক-দুটি বাদ দিয়ে খাচ্ছেন নাবিকেরা। যাতে খাবার বাঁচিয়ে বেশি দিন খেতে পারেন তারা। মজুত খাবার দিয়ে এভাবে রেশনিং করে দেড় মাস পর্যন্ত চলা যাবে। বিশুদ্ধ পানির কেবল পান করা ও রান্নার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে, বাকি সব কাজে নদীর পানি ব্যবহার করছেন তারা।

এ বিষয়ে বিএসসির নির্বাহী পরিচালক (বাণিজ্য) পীযূষ দত্ত বলছেন, জাহাজটি যেখানে আজে, সেখানেই সবচেয়ে বেশি নিরাপদ। ওখান থেকে বেরিয়ে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। তারপরেও পোলান্ডে বাংলাদেশের দূতাবাসসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড