,

আরো ২০ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৫৩৯

news-image

দেশে মহামারি করোনা ভাইরাসে একদিনে আরো ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট প্রাণহানি হলো ২৮ হাজার ৯০৭ জনের। নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৫৩৯ জনের। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১০ দশমিক ২৪ শতাংশ।

এর আগে গত মঙ্গলবার ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তার আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২১ সপ্তাহ পর এক দিনে বেশি মৃত্যুর খবর এসেছিল। সেদিন ৪৩ জনের মৃত্যু হয়, যা গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বরের পর সর্বোচ্চ, সেদিন ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সংক্রমণের হার বাড়লেও কিছুদিন ধরে শনাক্তের হার আবার কমতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৮৭১ টি ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ হাজার ৫৪৭ টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৫৩৯ জনের। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯ লাখ ২৬ হাজার ৫৭০ জনে। নতুন করে সুস্থ হয়েছেন আরো ১১ হাজার ৮০০ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ ১৭ লাখ ২৭ হাজার ৮৬৬ জন।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে শনাক্তের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকার মধ্যেই গত ২৫ জানুয়ারি ১৬ হাজার ৬৬ জন রোগী শনাক্তের খবর এসেছিল, যা মহামারির মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। আর গত ২৬ জানুয়ারি ১৫ হাজার ৫২৭ জন রোগী শনাক্তের খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার পরেরদিন মঙ্গলবার ২১ সপ্তাহ পর একদিনে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়। তবে গতকাল মৃতের সংখ্যা কমে নেমেছিল ১৫ জনে।

দেশে প্রায় ৬ মাস পর নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৩১ শতাংশ ছাড়ায় গত ১৮ জানুয়ারি। যদিও গত ২৫ জানুয়ারি থেকে শনাক্তের হার কিছুটা কমে ৩০ শতাংশের নিচে নামে। শ

এর আগে জানুয়ারির প্রথম দিনও শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল চারশর নিচে, ৬ জানুয়ারি তা হাজার ছাড়ায়, ১৬ জানুয়ারি পেরিয়ে যায় ৫ হাজারের ঘর। এরপর মাত্র চারদিনে তা দ্বিগুণ হয়।

ওমিক্রন আতঙ্ক কিছুটা কাটিয়ে দেশে কয়েক সপ্তাহ ধরে শনাক্তের সংখ্যা কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

এর আগে ওমিক্রন আতঙ্কের শুরুর দিকে দেশে কয়েক সপ্তাহ ধরে শনাক্তের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছিলো। এরই ধারাবাহিকতায় সংক্রমণ ঠেকাতে এরই মধ্যে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও সমাবেশ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

করোনার ডেলটা ধরনের দাপটে গত বছরের মাঝামাঝি দেশে করোনায় মৃত্যু, রোগী শনাক্ত ও শনাক্তের হার বেড়েছিল। তবে আগস্টে দেশব্যাপী করোনার গণটিকা দেয়ার পর সংক্রমণ কমতে থাকে।

গত বছরের ১১ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো দেশে করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের সংক্রমণ ধরা পড়ার খবর আসে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনার সংক্রমণ দেখা দেয়। কয়েক মাসের মধ্যে এই ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। ২০২১ সালের ৩১ অগাস্ট তা ১৫ লাখ পেরিয়ে যায়।

করোনার ভারতীয় ধরন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে ২০২১ সালের ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।
গত বছর জুলাই-আগস্টে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ পায়। ৫ আগস্ট ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যুর খবর আসে, যা মহামারীর মধ্যে একদিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা।

করোনা ভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণের ওই সময়টায় প্রতি পাঁচ দিনে মৃত্যুর তালিকায় ১ হাজার নতুন নাম যোগ হচ্ছিল। সেপ্টেম্বর থেকে সংক্রমণ কমতে শুরু করলে মৃত্যুর গ্রাফও নেমে আসে।

এবার শীতের শুরুতে ইউরোপ-আমেরিকায় নতুন করে সংক্রমণ ও মৃত্যুর বাড়ছে, দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন দেশে।

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড