,

লঞ্চে অগ্নিকাণ্ড : দুই ইঞ্জিনচালক কারাগারে

news-image

আদালত প্রতিবেদক : অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার আসামি ইঞ্জিনকক্ষের দুই চালককে কারাগারে পাঠিয়েছেন নৌ আদালত। কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন, গ্রপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ৬ নম্বর আসামি লঞ্চের ইনচার্জ চালক মো. মাসুম বিল্লাহ ও ৮ নম্বর আসামি দ্বিতীয় চালক আবুল কালাম।

আজ রোববার এ আসামিরা নৗ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে নৗ আদালতের বিচারক জয়নাব বেগম জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

শুনানিকালে আসামিপক্ষে আইনজীবী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন শুনানিতে বলেন, আসামিরা দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সাধ্যমতো চেষ্টা করেও সফল হননি। এতে তাদের অবহেলা ছিল না। গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি লঞ্চের মালিক মো. হামজালাল শেখকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামলাকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার পাঁয়তারা করছেন। তিনি এজন্য ওসির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারির অনুরোধ করেন।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রসিকিউটিং অফিসার বেল্লাল হোসাইন জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, ইঞ্জিনকক্ষের সার্বিক দায়িত্ব ইঞ্জিনচালকদের ওপর বর্তায়। ইঞ্জিনকক্ষ থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। তারা যদি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তদারকি করে সঠিকভাবে ইঞ্জিনকক্ষ পরিচালনা করতেন, তাহলে হয়তো স্মরণকালের এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডি ঠেকানো যেত। কিন্তু তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেননি। ইঞ্জিনচালকেরা কেবল দায়িত্বে অবহেলাই করেননি, অগ্নিকাণ্ডের পর অসহায় যাত্রীদের মুত্যুর মুখে ঠেলে দিয়ে পলায়ন করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে নৌ আদালতের বিচারক জয়নাব বেগম তাঁদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর লঞ্চের দুই মাস্টার আত্মসমর্পণ করলে তাদের একই আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। তারা হলেন, মামলার ৫ ও ৭ নং আসামি মাস্টার ইনচার্জ রিয়াজ সিকদার এবং দ্বিতীয় মাস্টার মো. খলিলুর রহমান। আর মামলার ১ নম্বর আসামি লঞ্চের মালিক হামজালাল শেখকে গত ২৭ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ২৩ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা থেকে বরগুনা যাওয়ার পথে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে থাকা অবস্থায় ভয়াবহ আগুনে পুড়ে যায় লঞ্চ অভিযান-১০। ওই ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত ও দগ্ধ হয়েছেন অন্তত ৮০ জন। রাত ৩টার দিকে যখন চলন্ত লঞ্চে আগুনের সূত্রপাত হয়, যাত্রীদের বেশিরভাগই তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। না থামিয়ে ওই অবস্থায় চালিয়ে নেওয়া হয় অনেকটা পথ। এক পর্যায়ে নদীর মধ্যে পুরো লঞ্চ জ্বলতে থাকে।

ওই ঘটনায় সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক শফিকুর রহমান বাদী হয়ে গত ২৬ ডিসেম্বর মতিঝিলের নৌ-আদালতে মামলা দায়ের করেন। সেখানে লঞ্চের মালিক হামজালাল শেখসহ আটজনকে আসামি করা হয়। পরে আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড