,

ট্যুরিজম-গ্রিন ট্যাক্সে ভর করেই পর্যটনে শীর্ষে মালদ্বীপ

news-image

বিশেষ সংবাদদাতা : মালদ্বীপের হুলহুমালে জেট ফেরি থেকে রওনা হয়ে ভারত মহাসাগরের বুক চিরে নীলাভ স্বচ্ছ পানিতে ছুটে চলেছে দ্রুতগামী বোট। মাথারও ওপর স্বচ্ছ নীল আকাশ। সূর্যের আলোকচ্ছটা পড়ছে নীলাভ জলে। মহাসাগর থেকে দূরে সারি সারি নারিকেল গাছ। সবুজে ঘেরা গাছপালা ও রঙিন ফুলের অপূর্ব সমারোহ। দ্বীপগুলো যেন প্রকৃতির নৈসর্গিক সাজানো-গোছানো বাগান।

বেসরকারি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের আমন্ত্রণে গণমাধ্যমকর্মীদের মালদ্বীপের ট্যুরিজম সরেজমিন ঘুরিয়ে দেখার অংশ হিসেবে পৃথক দুটি বোটে ৮৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল মহাসাগরে ঘুরে বেড়াচ্ছি। ট্যুর গাইড অপারেটর আহমেদ সিরাজ ও চ্যাংকি মহাসাগরের বিভিন্ন দ্বীপের বর্ণনা দিচ্ছেন।

কোনটি মালদ্বীপের প্রথম রিসোর্ট, কোনটি সবচেয়ে দামি রিসোর্ট, ভাড়া, মালদ্বীপে সব ধরনের পণ্যের এত দাম কেন, কোন দেশের পর্যটক বেশি, করোনাকালে কেমন কেটেছে? বিরক্ত না হয়ে তারা গণমাধ্যমকর্মীদের নানান প্রশ্নের উত্তর হাসিমুখে দিচ্ছিলেন।

আহমেদ সিরাজ নামে ট্যুর অপারেটর জানান, মালদ্বীপে সব ধরনের পর্যটকের জন্য নানান প্যকেজ রয়েছে। এখানে প্রতিদিন ৬০-৭০ ডলার বা তার চেয়ে কিছু কম দামি হোটেল রিসোর্ট যেমন রয়েছে, তেমনি সমুদ্রের তলদেশে প্রতিদিন ৫০ হাজার ডলার ভাড়ার রিসোর্টও রয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা মালদ্বীপের বিভিন্ন রিসোর্টে একান্তে সময় কাটাতে ছুটে আসেন। ইউরোপ ও আমেরিকার অনেক ধনী পর্যটক দুহাত খুলে খরচ করেন। মুসলিম জনসংখ্যা অধ্যুষিত এ দেশে পর্যটকদের জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। তবে তা মূল শহরে নয়, বিছিন্ন দ্বীপের কটেজে।

তিনি জানান, মালদ্বীপে সব কিছুরই দাম বেশি। কারণ তারা মাছ ছাড়া সব পণ্য বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করে থাকেন। পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের জন্য তারা হোটেল ও রিসোর্ট থেকে শুরু করে বিভিন্ন ট্যুর প্যাকেজের ওপর বাধ্যতামূলকভাবে ১২ শতাংশ আয়কর পরিশোধ করেন। হোটেল ও রিসোর্টে প্রতি যাত্রী প্রতিদিনের জন্য অন্তত তিন ডলার আয়কর পরিশোধ করেন।

দেশের অধিকাংশ হোটেল ও রিসোর্টগুলো বেসরকারি পর্য়ায়ে পরিচালিত হয়। সরকার তাদের নানাভাবে সহযোগিতা করে থাকে। কখনো কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে না। তবে হোটেল ও রিসোর্টের পরিবেশ ও খাবারের গুণগত মান দেখভাল করে সরকারের মনিটরিং টিম।

প্রথমবার ওয়ার্কিং দিলেও পরবর্তীতে তালা মেরে মামলা করে দেন তারা। সরকারের সার্বিক সহযোগিতা, সঠিকভঅবে আয়কর পরিশোধ তথা কঠোর মনিটরিংয়ের জন্য মালদ্বীপ আজ এত উন্নত দেশ বলে অভিমত তার।

আহমেদ সিরাজ বলেন, করোনা মহামারিজনিত কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো মালদ্বীপের পর্যটন খাতও থমকে গিয়েছিল। তবে বর্তমানে পরিবেশ অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় তারা বেশ আশাবাদী। বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটকরা ভ্রমণে আসতে শুরু করেছেন।

বাংলাদেশ থেকে সরাসরি ফ্লাইট চালু হওয়ায় আগের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক পর্যটক মালদ্বীপে ঘুরতে আসবেন বলে মনে করেন এ ট্যুর গাইড।

তিনি জানান, আগে অপেক্ষাকৃত ধনী পর্যটকরা মালদ্বীপের বিভিন্ন আইল্যান্ডে ঘুরতে আসতেন। ট্রানজিট ফ্লাইটের কারণে শ্রীলংকা হয়ে মালদ্বীপে আসার সময় ও ইমিগ্রেশনে তাদের নানান ঝামেলা পোহাতে হতো। ইউএস-বাংলা ফ্লাইট চালু করায় এখন ভোগান্তি ও ব্যয় কমবে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড