বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবরার হত্যা মামলায় ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড

news-image

আদালত প্রতিবেদক : বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭ তম ব্যাচ) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে রায়ে অপর পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে আজ সকাল ১১টা ৪০মিনিটে আসামিদের এজলাসে তোলা হয়। রায়ের সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে আদালত পাড়ায় ভিড় বাড়ছে। রায় শুনতে নিহত আবরার ফাহাদের স্বজন ছাড়াও এসেছেন আসামিদের স্বজনরা।

গত ১৪ নভেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত এই মামলার রায়ের জন্য ২৮ নভেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন। ওই দিন আদালত রায় প্রস্তুত হয়নি জানিয়ে রায়ের নতুন তারিখ ৮ ডিসেম্বর ধার্য করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বুয়েট ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. অনিক সরকার, উপ-সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক ইফতি মোশাররেফ সকাল, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, মো. মনিরুজ্জামান মনির, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর, শিক্ষার্থী মো. মুজাহিদুর রহমান ও এএসএম নাজমুস সাদাত, বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, মুনতাসির আল জেমি, শিক্ষার্থী আবরারের রুমমেট মিজানুর রহমান, শাসছুল আরেফিন রাফাত, মো. মাজেদুর রহমান মাজেদ, শামীম বিল্লাহ, হোসেন মোহাম্মাদ তোহা, বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু, বুয়েটের ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স বভাগের ১৭ তম ব্যাচের ছাত্র মুহাম্মাদ মোর্শেদ-উজ-জামান মন্ডল ওরফে জিসান, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারং বিভাগের ১৭ তম ব্যাচের ছাত্র এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারং বিভাগের ১৬ তম ব্যাচের ছাত্র মুজতবা রাফিদ।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, আইন বিষয়ক উপ-সম্পাদক অমিত সাহা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহতামিম ফুয়াদ, গ্রন্থ ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ইসাতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আকাশ হোসেন ও মুয়াজ ওরফে আবু হুরায়রা।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে পরের দিন ৭ অক্টোবর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ। ওই বছরের ১৩ নভেম্বর ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক ওয়াহেদুজ্জামান।

২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ২২ আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করেন এবং পলাতক তিন আসামিসহ ২৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করেন। ২০২০ সালের ৫ অক্টোবর থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে চলতি বছর ৪ মার্চ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ওই সময়ের মধ্যে মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ৬০ জন সাক্ষীর মধ্যে ট্রাইব্যুনাল ৪৬ জনের সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

 

এ জাতীয় আরও খবর

গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত সংসদের চিঠির পর

দিল্লির আন্দোলনের প্রভাব, মুম্বাইয়ে সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা

দিল্লির বিক্ষোভ তীব্র, প্রশ্নপত্র ফাঁসে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন মোদি

ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা

ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষিত শহরের তালিকায় ৫৫তম

নতুন নৌপ্রধান পেলেন ভাইস অ্যাডমিরাল পদমর্যাদা

মেসির বিদায়ী ম্যাচ চায় স্পেন

বহিষ্কারের পর গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না

১০ জেলায় ঝড়ের সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত

১০৭ ঘণ্টা পর বন্ধ কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

ইয়ামালকে মেসির অনুপ্রেরণার বার্তা

প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধনের সময় বাড়ল